ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আফগানিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে বিপাকে জিম্বাবুয়ে সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
আন্তর্জাতিক

তাইওয়ান প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে অবস্থান সংশোধনের আহ্বান চীনের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 467

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না এমন একটি বিবৃতি তাদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়ায় চীন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বেইজিং এ ঘটনাকে ‘ভুল পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে ওয়াশিংটনকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত হালনাগাদের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ‘আমরা তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করি না’ বাক্যটি ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে তাইওয়ানের সদস্যপদে সমর্থন দেবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি তাইওয়ানের স্বাধীনতাপন্থী শক্তিগুলোর জন্য ভুল বার্তা দিচ্ছে, যা অঞ্চলটিতে অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে।

আরও পড়ুন  দেশে ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালের গণভোটগুলোয় যা হয়েছিল

ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানের পরিবর্তে চীনকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ‘এক চীন নীতি’ মেনে চলছে। অন্যদিকে, বেইজিং তাইওয়ানকে তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দ্বীপটিকে চীনের অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দিয়ে আসছে। তবে, তাইওয়ানের বেশিরভাগ মানুষ স্বাধীনতা ঘোষণার বিপক্ষে হলেও চীনের অংশ হওয়ার পক্ষে নয়, বরং বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে মত দেন।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যত দূতাবাস, আমেরিকান ইনস্টিটিউট ইন তাইওয়ানের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অনানুষ্ঠানিক সম্পর্কের বিষয়ে স্বচ্ছতা আনতেই তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে। আমরা উভয় পক্ষের স্থিতাবস্থায় যেকোনো একতরফা পরিবর্তনের বিরোধিতা করি।’

তাইওয়ান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘ইতিবাচক ও তাইওয়ানবান্ধব’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্বাগত জানিয়েছে। দ্বীপটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়াং-লু ওয়াশিংটনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

তবে, চীন এ পরিবর্তনকে গুরুতর নীতিগত পশ্চাৎপদতা হিসেবে দেখছে এবং বলছে, ওয়াশিংটন তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। বেইজিং স্পষ্ট জানিয়েছে, তাইওয়ান প্রশ্নে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক

তাইওয়ান প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে অবস্থান সংশোধনের আহ্বান চীনের

আপডেট সময় ১১:৩১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না এমন একটি বিবৃতি তাদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়ায় চীন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বেইজিং এ ঘটনাকে ‘ভুল পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে ওয়াশিংটনকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত হালনাগাদের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ‘আমরা তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করি না’ বাক্যটি ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে তাইওয়ানের সদস্যপদে সমর্থন দেবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি তাইওয়ানের স্বাধীনতাপন্থী শক্তিগুলোর জন্য ভুল বার্তা দিচ্ছে, যা অঞ্চলটিতে অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে।

আরও পড়ুন  পারমাণবিক ইস্যুতে রোমে বৈঠকে মুখোমুখি ইরান-

ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানের পরিবর্তে চীনকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ‘এক চীন নীতি’ মেনে চলছে। অন্যদিকে, বেইজিং তাইওয়ানকে তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দ্বীপটিকে চীনের অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দিয়ে আসছে। তবে, তাইওয়ানের বেশিরভাগ মানুষ স্বাধীনতা ঘোষণার বিপক্ষে হলেও চীনের অংশ হওয়ার পক্ষে নয়, বরং বর্তমান স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে মত দেন।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যত দূতাবাস, আমেরিকান ইনস্টিটিউট ইন তাইওয়ানের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অনানুষ্ঠানিক সম্পর্কের বিষয়ে স্বচ্ছতা আনতেই তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে। আমরা উভয় পক্ষের স্থিতাবস্থায় যেকোনো একতরফা পরিবর্তনের বিরোধিতা করি।’

তাইওয়ান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘ইতিবাচক ও তাইওয়ানবান্ধব’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে স্বাগত জানিয়েছে। দ্বীপটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিন চিয়াং-লু ওয়াশিংটনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

তবে, চীন এ পরিবর্তনকে গুরুতর নীতিগত পশ্চাৎপদতা হিসেবে দেখছে এবং বলছে, ওয়াশিংটন তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে। বেইজিং স্পষ্ট জানিয়েছে, তাইওয়ান প্রশ্নে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।