ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

পারমাণবিক ইস্যুতে রোমে বৈঠকে মুখোমুখি ইরান-

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 410

ছবি সংগৃহীত

 

দীর্ঘদিন ধরে চলা পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এবার রোমে মুখোমুখি বসছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধি দল। শনিবার, ১৯ এপ্রিল রোমে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকটিকে কূটনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ইরানে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই মন্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন  ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে কঠিন পথে হাঁটবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

এর আগে, ওমানের রাজধানী মাসকাটে প্রথম দফার আলোচনায় বসেছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। সেখানে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করে।

প্রথম দফার আলোচনার পর, আরাকচি ও উইটকভ আবারও সীমিত পরিসরে সংলাপে অংশ নেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তির পর এই প্রথমবার মুখোমুখি আলোচনায় বসছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

রোম বৈঠকের আগে ইতালির এক শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাকচি। সেখানে তিনি বলেন, “ইরান সব সময় কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য চুক্তি হোক, যাতে সব পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।”

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আরাকচি বলেন, “যদি এমন একটি চুক্তি হয় যেখানে তেহরানের ওপর অন্যায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আর কোনো সংশয় না থাকে তাহলে ইরান তা সম্মান করবে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্যে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। এখন দেখার বিষয়, রোম বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বিশ্বাস ও সমঝোতার নতুন দরজা খুলে কি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

পারমাণবিক ইস্যুতে রোমে বৈঠকে মুখোমুখি ইরান-

আপডেট সময় ০৭:৪৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 

দীর্ঘদিন ধরে চলা পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এবার রোমে মুখোমুখি বসছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধি দল। শনিবার, ১৯ এপ্রিল রোমে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকটিকে কূটনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ইরানে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই মন্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন  তৃতীয়বার ক্ষমতায় থাকার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প কি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানকে উপেক্ষা করছেন?

এর আগে, ওমানের রাজধানী মাসকাটে প্রথম দফার আলোচনায় বসেছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। সেখানে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করে।

প্রথম দফার আলোচনার পর, আরাকচি ও উইটকভ আবারও সীমিত পরিসরে সংলাপে অংশ নেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তির পর এই প্রথমবার মুখোমুখি আলোচনায় বসছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

রোম বৈঠকের আগে ইতালির এক শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাকচি। সেখানে তিনি বলেন, “ইরান সব সময় কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য চুক্তি হোক, যাতে সব পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।”

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আরাকচি বলেন, “যদি এমন একটি চুক্তি হয় যেখানে তেহরানের ওপর অন্যায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আর কোনো সংশয় না থাকে তাহলে ইরান তা সম্মান করবে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্যে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। এখন দেখার বিষয়, রোম বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বিশ্বাস ও সমঝোতার নতুন দরজা খুলে কি না।