ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের

দেশে ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালের গণভোটগুলোয় যা হয়েছিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 3687

ছবি; সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে মতামত নেওয়ার পদ্ধতিই হল গণভোট। এর মাধ্যমে জনগণের কাছে সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের জন্য উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনবার গণভোট হয়েছে; ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে।

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন দেশের প্রায় পৌনে ১৩ কোটি ভোটার।

আরও পড়ুন  নির্বাচনের পর ক্ষমতা হস্তান্তরই আমাদের লক্ষ্য, নতুন সরকারের অংশ নই: অধ্যাপক ইউনূস

স্বাধীনতার পর এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো গণভোট হতে যাচ্ছে দেশে, যেখানে আগের তিনবারই ৮৪ থেকে ৯৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল।

১৯৭৭ সালের ৩০ মে প্রথম গণভোট হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি জনগণের মতামত যাচাইয়ের জন্য। সেবার ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১ দশমিক ১২ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।

দেশে দ্বিতীয়বার গণভোট হয় ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি আস্থা এবং স্থগিত সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠান পর্যন্ত তার রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকার বিষয়ে জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই ভোটে। মূলত সামরিক শাসকের বৈধতা দেওয়ার জন্য সেই গণভোট হয়েছিল। সেবার ৯৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ৬ শতাংশের মতো ‘না’ ভোট পড়েছিল।

সবশেষ গণভোট হয় ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। সংবিধানের ১৪২ (১ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হয় সেই গণভোট। সেবার জনগণের সামনে প্রশ্ন ছিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) বিল, ১৯৯১-এ রাষ্টপতির সম্মতি দেওয়া উচিত কি না? ভবিষ্যতে দেশে কোন ধরনের সরকার পদ্ধতি চলবে, জনগণের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়েছিল এ প্রশ্নের মাধ্যমে। সেবার ৮৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১৬ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালের গণভোটগুলোয় যা হয়েছিল

আপডেট সময় ০৪:৩১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে মতামত নেওয়ার পদ্ধতিই হল গণভোট। এর মাধ্যমে জনগণের কাছে সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের জন্য উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনবার গণভোট হয়েছে; ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে।

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন দেশের প্রায় পৌনে ১৩ কোটি ভোটার।

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্যে বিএনপির লিখিত মত, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা চায় বহাল রাখতে

স্বাধীনতার পর এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো গণভোট হতে যাচ্ছে দেশে, যেখানে আগের তিনবারই ৮৪ থেকে ৯৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল।

১৯৭৭ সালের ৩০ মে প্রথম গণভোট হয় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি জনগণের মতামত যাচাইয়ের জন্য। সেবার ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১ দশমিক ১২ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।

দেশে দ্বিতীয়বার গণভোট হয় ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অনুসৃত নীতি ও কর্মপন্থার প্রতি আস্থা এবং স্থগিত সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠান পর্যন্ত তার রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকার বিষয়ে জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেই ভোটে। মূলত সামরিক শাসকের বৈধতা দেওয়ার জন্য সেই গণভোট হয়েছিল। সেবার ৯৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ৬ শতাংশের মতো ‘না’ ভোট পড়েছিল।

সবশেষ গণভোট হয় ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। সংবিধানের ১৪২ (১ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হয় সেই গণভোট। সেবার জনগণের সামনে প্রশ্ন ছিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) বিল, ১৯৯১-এ রাষ্টপতির সম্মতি দেওয়া উচিত কি না? ভবিষ্যতে দেশে কোন ধরনের সরকার পদ্ধতি চলবে, জনগণের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়েছিল এ প্রশ্নের মাধ্যমে। সেবার ৮৪ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং ১৬ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছিল।