ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন সংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ইউরোপীয় নেতারা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 353

ছবি সংগৃহীত

 

আসন্ন দিনগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনা সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও এই আলোচনা ইউক্রেনের প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকবে, তবে ইউরোপকে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। এই পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে প্যারিসে ইউরোপীয় নেতাদের একটি জরুরি সম্মেলনও ডাকা হয়েছে, যা আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে।

ইউরোপীয় এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, যিনি মন্তব্য করেছেন, “এটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, এবং ইউরোপকে ন্যাটোতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা নিতে হবে।” তিনি বিশ্বাস করেন, তার মূল লক্ষ্য হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকে একত্রিত করে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-রাশিয়া সামরিক সম্পর্ক জোরদারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ 

অপরদিকে, মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলগ জানিয়েছেন, যুদ্ধের সমাপ্তি বিষয়ে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ চলবে, তবে ইউক্রেনকে সরাসরি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় অংশ নেবেন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।

এছাড়া, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে যৌথ সেনাবাহিনী গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে নতুন মার্কিন প্রশাসনের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান ও ২০১৪ সালের আগের সীমান্তে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সমালোচনা করেছেন, যা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস স্মিহাল শক্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন সংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ইউরোপীয় নেতারা

আপডেট সময় ০৫:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

আসন্ন দিনগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনা সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও এই আলোচনা ইউক্রেনের প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকবে, তবে ইউরোপকে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। এই পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে প্যারিসে ইউরোপীয় নেতাদের একটি জরুরি সম্মেলনও ডাকা হয়েছে, যা আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে।

ইউরোপীয় এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, যিনি মন্তব্য করেছেন, “এটি আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, এবং ইউরোপকে ন্যাটোতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা নিতে হবে।” তিনি বিশ্বাস করেন, তার মূল লক্ষ্য হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপকে একত্রিত করে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-রাশিয়া সামরিক সম্পর্ক জোরদারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ 

অপরদিকে, মার্কিন বিশেষ দূত কিথ কেলগ জানিয়েছেন, যুদ্ধের সমাপ্তি বিষয়ে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ চলবে, তবে ইউক্রেনকে সরাসরি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় অংশ নেবেন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।

এছাড়া, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে যৌথ সেনাবাহিনী গঠন করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে নতুন মার্কিন প্রশাসনের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান ও ২০১৪ সালের আগের সীমান্তে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সমালোচনা করেছেন, যা ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস স্মিহাল শক্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।