ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

ফ্রান্সের বিক্ষোভের জন্য ইসলামকে দায় দিলেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 51

ছবি সংগৃহীত

 

ফ্রান্সজুড়ে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থী বিক্ষোভকে দেশটির ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ব্যাপক অভিবাসন’ এবং ইসলামকে ঘিরে পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবির সঙ্গে অভিবাসন বা ধর্মের বিষয়টির সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ফ্রান্সের পরিস্থিতিকে ব্যাপক অভিবাসনের ফল হিসেবে উল্লেখ করেন। একই পোস্টে তিনি দাবি করেন, বিষয়টি স্কুল নিয়ে নয়; বরং ইসলাম ফ্রান্সকে দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

তবে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভের মূল বিষয় ছিল স্কুলের বিভিন্ন সমস্যা। কর্মীসংকট, জরাজীর্ণ স্কুল ভবন এবং শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর উপস্থিতিসহ বিভিন্ন সমস্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে।

পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভ ফ্রান্সের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অধিকাংশ বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও কয়েকটি ঘটনায় সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনায় একজন স্কুলছাত্রের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং আরেকজন দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। এর ফলে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশের ভূমিকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্বর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী অবস্থান এবং আগ্রাসী বহিষ্কার নীতির পক্ষে জনমত তৈরির লক্ষ্যেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্রান্সের বিক্ষোভের জন্য ইসলামকে দায় দিলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

 

ফ্রান্সজুড়ে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থী বিক্ষোভকে দেশটির ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ব্যাপক অভিবাসন’ এবং ইসলামকে ঘিরে পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবির সঙ্গে অভিবাসন বা ধর্মের বিষয়টির সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ফ্রান্সের পরিস্থিতিকে ব্যাপক অভিবাসনের ফল হিসেবে উল্লেখ করেন। একই পোস্টে তিনি দাবি করেন, বিষয়টি স্কুল নিয়ে নয়; বরং ইসলাম ফ্রান্সকে দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

তবে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভের মূল বিষয় ছিল স্কুলের বিভিন্ন সমস্যা। কর্মীসংকট, জরাজীর্ণ স্কুল ভবন এবং শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর উপস্থিতিসহ বিভিন্ন সমস্যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে।

পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভ ফ্রান্সের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অধিকাংশ বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও কয়েকটি ঘটনায় সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।

এসব ঘটনায় একজন স্কুলছাত্রের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং আরেকজন দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। এর ফলে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশের ভূমিকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্বর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী অবস্থান এবং আগ্রাসী বহিষ্কার নীতির পক্ষে জনমত তৈরির লক্ষ্যেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।