ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তাইওয়ান প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রবেশ: চীনের তীব্র প্রতিবাদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 451

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি নৌযান প্রথমবারের মতো তাইওয়ান প্রণালি অতিক্রম করেছে, যা চীনসহ আন্তর্জাতিক রাজনীতি তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। গত মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর এটি ছিল তার প্রশাসনের প্রথম এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ।

মার্কিন নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে অংশগ্রহণ করা জাহাজ দুটি ছিল:

আরও পড়ুন  ইউক্রেন সংকট নিরসনে ট্রাম্প-পুতিনের আলোচনার নতুন সম্ভাবনা, ভূমি ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আলোচনা

ইউএসএস রালফ জনসন: আর্লে বার্ক-ক্লাস গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার
ইউএসএনএস বাউডিচ: পাথফাইন্ডার-ক্লাস জরিপ জাহাজ
এই অভিযানের সময় ছিল ১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি এবং জাহাজগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে এগিয়ে যাচ্ছিল।

চীনের প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র। চীনা সেনাবাহিনী তাদের একটি বিবৃতিতে জানায়, “মার্কিন পদক্ষেপ চীনের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় বিপদ সৃষ্টি করছে এবং ভুল সংকেত পাঠাচ্ছে।” চীন তাদের সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে এই জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি শুরু করেছে।

এদিকে, তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযানের সময় তারা ৬২টি চীনা সামরিক বিমান এবং বেশ কিছু চীনা জাহাজ দ্বীপের চারপাশে শনাক্ত করেছে। তবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে চীনের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে স্পষ্ট জানান, “তাইওয়ানের জনগণই তাদের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

তাইওয়ান প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রবেশ: চীনের তীব্র প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০২:০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি নৌযান প্রথমবারের মতো তাইওয়ান প্রণালি অতিক্রম করেছে, যা চীনসহ আন্তর্জাতিক রাজনীতি তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। গত মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর এটি ছিল তার প্রশাসনের প্রথম এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ।

মার্কিন নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে অংশগ্রহণ করা জাহাজ দুটি ছিল:

আরও পড়ুন  ইউক্রেন সংকট নিরসনে ট্রাম্প-পুতিনের আলোচনার নতুন সম্ভাবনা, ভূমি ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আলোচনা

ইউএসএস রালফ জনসন: আর্লে বার্ক-ক্লাস গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার
ইউএসএনএস বাউডিচ: পাথফাইন্ডার-ক্লাস জরিপ জাহাজ
এই অভিযানের সময় ছিল ১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি এবং জাহাজগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে এগিয়ে যাচ্ছিল।

চীনের প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র। চীনা সেনাবাহিনী তাদের একটি বিবৃতিতে জানায়, “মার্কিন পদক্ষেপ চীনের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় বিপদ সৃষ্টি করছে এবং ভুল সংকেত পাঠাচ্ছে।” চীন তাদের সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে এই জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি শুরু করেছে।

এদিকে, তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযানের সময় তারা ৬২টি চীনা সামরিক বিমান এবং বেশ কিছু চীনা জাহাজ দ্বীপের চারপাশে শনাক্ত করেছে। তবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে চীনের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে স্পষ্ট জানান, “তাইওয়ানের জনগণই তাদের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে।”