ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
১৬ বছরে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার শিকার: আইনমন্ত্রী গণভবন থেকেই গুম-খুনের নীলনকশা হতো: পার্থ  জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের আহ্বান জাইমা রহমানের প্রতিটি সংশোধনই একেকটি সংস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবু সাঈদের ছবি না থাকলে সেটি কোনো ডকুমেন্টারি নয়: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জাকারবার্গকে ৩ দিনের আলটিমেটাম ভারতের কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা গুম-খুনের পরও আওয়ামী লীগের কোনো অনুশোচনা নেই: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি স্টিম শিক্ষায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ লন্ডনের আকাশে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু দেখার দাবি পাইলটের

লন্ডনের আকাশে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু দেখার দাবি পাইলটের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাজ্যের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের কাছে অবতরণের সময় একটি বাণিজ্যিক বিমানের পাইলট রহস্যময় চাকতির মতো একটি উড়ন্ত বস্তু দেখতে পাওয়ার দাবি করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করেছে যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ড, তবে বস্তুটির প্রকৃতি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রো ইউকে জানায়, ঘটনাটি একটি এয়ারবাস এ৩১৯ যাত্রীবাহী বিমানে ঘটে। বিমানটি অবতরণের জন্য নিচে নামছিল এবং রানওয়ের দিকে যেতে বাঁ দিকে মোড় নিচ্ছিল। এ সময় পাইলট বিমানের ডান ডানার খুব কাছ দিয়ে বিপরীত দিক থেকে একটি অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু যেতে দেখেন।

আরও পড়ুন  আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন, লন্ডনে ‘ল’ পড়তে যাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া

সরকারি নিরাপত্তা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পাইলটের ভাষ্য ছিল, বস্তুটি দেখতে ‘উড়ন্ত চাকতি’র মতো। প্রাথমিকভাবে এটি বিশেষ ধরনের কোনো ড্রোন হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও এর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়, বস্তুটি বিমান থেকে প্রায় ১০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরত্বে একই উচ্চতায় বিপরীত দিক দিয়ে অতিক্রম করেছিল।

জুনে প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানটি নিচে নামা ও বাঁ দিকে ঘোরার সময় সন্দেহজনক ওই চাকতি-সদৃশ বস্তুটি ডান ডানার খুব কাছ দিয়ে চলে যায়। পাইলট জানান, সাসেক্সের হ্যাংক্রস এলাকার আকাশে, যা গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাত মাইল দক্ষিণে, বস্তুটিকে দেখা যায়।

পাইলটের বর্ণনা অনুযায়ী, বস্তুটি স্পষ্টভাবে চাকতির মতো ছিল এবং এর বাইরের অংশে গাঢ় রঙের দাগ দেখা যায়। বিমানকর্মীরা ধারণা করেছিলেন, এটি উন্নত বা অস্বাভাবিক ধরনের কোনো ড্রোন হতে পারে। তবে সেটি কী ছিল বা কোথা থেকে এসেছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার সময় বিমানের গতিপথে জরুরি কোনো পরিবর্তন আনতে হয়নি। কারণ বিমানটি পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঁক নিচ্ছিল। একই এলাকায় থাকা অন্য কোনো পাইলট অজ্ঞাত বস্তুটি দেখতে পাননি। তবে বিমান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সতর্কবার্তা জারি করেছিল।

তদন্ত শেষে এয়ারপ্রক্স বোর্ড জানায়, বস্তুটির উচ্চতা ও বর্ণনা বিবেচনায় এর প্রকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে বোর্ডের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ঘটনাটিতে নিরাপত্তার কিছুটা অবনতি হলেও বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষের কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

লন্ডনের আকাশে রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু দেখার দাবি পাইলটের

আপডেট সময় ০৪:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

 

যুক্তরাজ্যের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের কাছে অবতরণের সময় একটি বাণিজ্যিক বিমানের পাইলট রহস্যময় চাকতির মতো একটি উড়ন্ত বস্তু দেখতে পাওয়ার দাবি করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করেছে যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ড, তবে বস্তুটির প্রকৃতি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রো ইউকে জানায়, ঘটনাটি একটি এয়ারবাস এ৩১৯ যাত্রীবাহী বিমানে ঘটে। বিমানটি অবতরণের জন্য নিচে নামছিল এবং রানওয়ের দিকে যেতে বাঁ দিকে মোড় নিচ্ছিল। এ সময় পাইলট বিমানের ডান ডানার খুব কাছ দিয়ে বিপরীত দিক থেকে একটি অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু যেতে দেখেন।

আরও পড়ুন  আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন, লন্ডনে ‘ল’ পড়তে যাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া

সরকারি নিরাপত্তা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পাইলটের ভাষ্য ছিল, বস্তুটি দেখতে ‘উড়ন্ত চাকতি’র মতো। প্রাথমিকভাবে এটি বিশেষ ধরনের কোনো ড্রোন হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও এর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়, বস্তুটি বিমান থেকে প্রায় ১০০ থেকে ৩০০ ফুট দূরত্বে একই উচ্চতায় বিপরীত দিক দিয়ে অতিক্রম করেছিল।

জুনে প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের এয়ারপ্রক্স বোর্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানটি নিচে নামা ও বাঁ দিকে ঘোরার সময় সন্দেহজনক ওই চাকতি-সদৃশ বস্তুটি ডান ডানার খুব কাছ দিয়ে চলে যায়। পাইলট জানান, সাসেক্সের হ্যাংক্রস এলাকার আকাশে, যা গ্যাটউইক বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাত মাইল দক্ষিণে, বস্তুটিকে দেখা যায়।

পাইলটের বর্ণনা অনুযায়ী, বস্তুটি স্পষ্টভাবে চাকতির মতো ছিল এবং এর বাইরের অংশে গাঢ় রঙের দাগ দেখা যায়। বিমানকর্মীরা ধারণা করেছিলেন, এটি উন্নত বা অস্বাভাবিক ধরনের কোনো ড্রোন হতে পারে। তবে সেটি কী ছিল বা কোথা থেকে এসেছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার সময় বিমানের গতিপথে জরুরি কোনো পরিবর্তন আনতে হয়নি। কারণ বিমানটি পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঁক নিচ্ছিল। একই এলাকায় থাকা অন্য কোনো পাইলট অজ্ঞাত বস্তুটি দেখতে পাননি। তবে বিমান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সতর্কবার্তা জারি করেছিল।

তদন্ত শেষে এয়ারপ্রক্স বোর্ড জানায়, বস্তুটির উচ্চতা ও বর্ণনা বিবেচনায় এর প্রকৃতি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে বোর্ডের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ঘটনাটিতে নিরাপত্তার কিছুটা অবনতি হলেও বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষের কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি হয়নি।