ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

কলকাতায় জীবিত মুসলিম কিশোরীকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়েছিল: পুলিশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 78

ছবি: সংগৃহীত

সোমবার (৬ জুলাই) ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কিশোরীর ফুসফুসে কাদা-পানি পাওয়া গেছে। এ থেকে তদন্তকারীদের ধারণা, তাকে পানিতে ফেলার সময় তিনি জীবিত ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তার যৌনাঙ্গে একাধিক আঘাত এবং মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পানিতে ডুবে শ্বাসরোধ—এই দুটি কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদন, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য মিলিয়ে ঘটনার পুনর্গঠন করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে।

সিসিটিভি ফুটেজে শনিবার বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে কিশোরীকে সূর্যপুর বাজারের প্রধান সড়ক দিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। তার কয়েক কদম পেছনে লাল টি-শার্ট পরা এক যুবককে দেখা যায়, যাকে স্থানীয়রা প্রভাস মণ্ডল হিসেবে শনাক্ত করেন। পরদিন সকালে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন  কলকাতার স্বপ্ন ভাঙল সল্ট ও কোহলির দুর্দান্ত ব্যাটিং

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রভাস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। তিনি প্রথমে ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না দাবি করলেও পরে জানান, চারজন ব্যক্তি কিশোরীকে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে আনন্দ সর্দারকে তিনি চিনতেন বলেও দাবি করেন। তবে তার বক্তব্যের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যের মিল না থাকায় তদন্তকারীরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

তদন্তকারীদের ধারণা, অভিযুক্তরা ঘটনার সময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন। তারা দুটি সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করছে—কিশোরী অভিযুক্তদের চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে, অথবা নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ধরা পড়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের কিছু মুসলিম সংগঠন ও সম্প্রদায়ের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কলকাতায় জীবিত মুসলিম কিশোরীকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়েছিল: পুলিশ

আপডেট সময় ০১:২৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

সোমবার (৬ জুলাই) ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, কিশোরীর ফুসফুসে কাদা-পানি পাওয়া গেছে। এ থেকে তদন্তকারীদের ধারণা, তাকে পানিতে ফেলার সময় তিনি জীবিত ছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তার যৌনাঙ্গে একাধিক আঘাত এবং মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পানিতে ডুবে শ্বাসরোধ—এই দুটি কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদন, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য মিলিয়ে ঘটনার পুনর্গঠন করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে।

সিসিটিভি ফুটেজে শনিবার বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে কিশোরীকে সূর্যপুর বাজারের প্রধান সড়ক দিয়ে হাঁটতে দেখা যায়। তার কয়েক কদম পেছনে লাল টি-শার্ট পরা এক যুবককে দেখা যায়, যাকে স্থানীয়রা প্রভাস মণ্ডল হিসেবে শনাক্ত করেন। পরদিন সকালে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন  এমপি আনার হত্যার এক বছর, এখনও মরদেহের খোঁজে পরিবার

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রভাস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। তিনি প্রথমে ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না দাবি করলেও পরে জানান, চারজন ব্যক্তি কিশোরীকে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে আনন্দ সর্দারকে তিনি চিনতেন বলেও দাবি করেন। তবে তার বক্তব্যের সঙ্গে অন্যান্য তথ্যের মিল না থাকায় তদন্তকারীরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

তদন্তকারীদের ধারণা, অভিযুক্তরা ঘটনার সময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন। তারা দুটি সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করছে—কিশোরী অভিযুক্তদের চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে, অথবা নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ধরা পড়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের কিছু মুসলিম সংগঠন ও সম্প্রদায়ের সদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।