ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

ট্রাম্পের শুল্কারোপের ঘোষণা, কানাডার কঠোর জবাবের প্রস্তুতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 403

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এ সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায্য’ বলে অভিহিত করেছে কানাডা এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ‘‘আমরা এটি চাই না, তবে যদি ট্রাম্প প্রশাসন এগিয়ে যায়, তাহলে আমরাও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেব।’’ তিনি সতর্ক করে বলেন, এ শুল্ক কানাডার অর্থনীতির ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং সামনে কঠিন সময় আসতে পারে।

আরও পড়ুন  মানবিক সহায়তায় পিছু হটছে যুক্তরাষ্ট্র, ধনী দেশগুলোর প্রতি রুবিওর আহ্বান

কানাডার অর্থনীতির একটি বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৭৫ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে যায়। নতুন শুল্কারোপ কার্যকর হলে কানাডার বিভিন্ন খাত বিশেষ করে উৎপাদন ও কৃষিখাতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। যদিও এখনো স্পষ্ট নয়, এ শুল্কের আওতায় কানাডা থেকে আমদানি করা তেল আসবে কিনা।

অটোয়ার কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে সম্ভাব্য পাল্টা ব্যবস্থার পরিকল্পনা করছেন। তবে এখনই বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করতে রাজি নন তারা। ট্রুডো স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘‘কানাডা চুপ করে বসে থাকবে না। আমরা শক্তিশালী ও কার্যকর জবাব দেব।’’

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ বাণিজ্য উত্তেজনা কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে জটিল করে তুলতে পারে এবং দুই দেশের বাজারেই অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্প প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হয় এবং কানাডার প্রতিক্রিয়া কতটা প্রভাব ফেলে বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের শুল্কারোপের ঘোষণা, কানাডার কঠোর জবাবের প্রস্তুতি

আপডেট সময় ১১:০৬:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এ সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায্য’ বলে অভিহিত করেছে কানাডা এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ‘‘আমরা এটি চাই না, তবে যদি ট্রাম্প প্রশাসন এগিয়ে যায়, তাহলে আমরাও উপযুক্ত ব্যবস্থা নেব।’’ তিনি সতর্ক করে বলেন, এ শুল্ক কানাডার অর্থনীতির ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং সামনে কঠিন সময় আসতে পারে।

আরও পড়ুন  নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় ইরাক দূতাবাসের কর্মী সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

কানাডার অর্থনীতির একটি বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৭৫ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রে যায়। নতুন শুল্কারোপ কার্যকর হলে কানাডার বিভিন্ন খাত বিশেষ করে উৎপাদন ও কৃষিখাতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। যদিও এখনো স্পষ্ট নয়, এ শুল্কের আওতায় কানাডা থেকে আমদানি করা তেল আসবে কিনা।

অটোয়ার কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে সম্ভাব্য পাল্টা ব্যবস্থার পরিকল্পনা করছেন। তবে এখনই বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করতে রাজি নন তারা। ট্রুডো স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘‘কানাডা চুপ করে বসে থাকবে না। আমরা শক্তিশালী ও কার্যকর জবাব দেব।’’

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ বাণিজ্য উত্তেজনা কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে জটিল করে তুলতে পারে এবং দুই দেশের বাজারেই অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ট্রাম্প প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর হয় এবং কানাডার প্রতিক্রিয়া কতটা প্রভাব ফেলে বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর।