ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ছদ্মবেশে নারী পুলিশ ; ৩ ঘণ্টায় ৪০ কুপ্রস্তাব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 112

ছবি: সংগৃহীত

শহরের রাস্তায় নারীরা আসলে কতটা নিরাপদ, তা হাতেকলমে পরীক্ষা করতে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে মধ্যরাতে রাস্তায় নামলেন ভারতের হায়দরাবাদের মালকাজ়গিরির নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনার সুমতি। গত ১ মে দায়িত্ব গ্রহণের পর নারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে পরখ করতে তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন। মাত্র তিন ঘণ্টার এই অভিযানেই উঠে এসেছে এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক চিত্র।

তেলঙ্গানা ক্যাডারের এই সিনিয়র আইপিএস কর্মকর্তা মধ্যরাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মালকাজ়গিরি থানার কাছে একটি বাসস্ট্যান্ডে সাধারণ পোশাকে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন। পুলিশি পরিচয় গোপন রেখে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে থাকা সুমতির কাছে এই সময়ের মধ্যে প্রায় ৪০ জন পুরুষ এগিয়ে আসে। তাদের কেউ কথা বলার চেষ্টা করে, আবার কেউ সরাসরি অশালীন ও কুপ্রস্তাব দেয়। হয়রানিকারীদের মধ্যে সাধারণ তরুণ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী এবং নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিরাও ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোনো অভিযোগের অপেক্ষায় না থেকে বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতেই কমিশনার নিজে মাঠে নেমেছিলেন। অভিযানের পর অভিযুক্ত বেশ কিছু ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে পুলিশ এখনই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর মামলা না করে প্রাথমিকভাবে কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে। সেখানে তাদের নারীদের প্রতি আচরণ ও আইনি বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  বরিশালে পলিথিন প্যাঁচানো হাত পা বাঁধা নারী উদ্ধার

এটি সুমতির ক্যারিয়ারে প্রথম এমন অভিযান নয়। এর আগেও তিনি ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কাজিপেট রেলস্টেশন এলাকায় একইভাবে নারীদের নিরাপত্তা যাচাই করেছিলেন। স্টেট ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এসআইবি) সাবেক এই প্রধানের এমন সাহসী উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকে মনে করছেন, পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন সরাসরি নজরদারি অপরাধীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করবে এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছদ্মবেশে নারী পুলিশ ; ৩ ঘণ্টায় ৪০ কুপ্রস্তাব

আপডেট সময় ১১:১০:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

শহরের রাস্তায় নারীরা আসলে কতটা নিরাপদ, তা হাতেকলমে পরীক্ষা করতে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে মধ্যরাতে রাস্তায় নামলেন ভারতের হায়দরাবাদের মালকাজ়গিরির নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনার সুমতি। গত ১ মে দায়িত্ব গ্রহণের পর নারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে পরখ করতে তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন। মাত্র তিন ঘণ্টার এই অভিযানেই উঠে এসেছে এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক চিত্র।

তেলঙ্গানা ক্যাডারের এই সিনিয়র আইপিএস কর্মকর্তা মধ্যরাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত মালকাজ়গিরি থানার কাছে একটি বাসস্ট্যান্ডে সাধারণ পোশাকে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন। পুলিশি পরিচয় গোপন রেখে সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে থাকা সুমতির কাছে এই সময়ের মধ্যে প্রায় ৪০ জন পুরুষ এগিয়ে আসে। তাদের কেউ কথা বলার চেষ্টা করে, আবার কেউ সরাসরি অশালীন ও কুপ্রস্তাব দেয়। হয়রানিকারীদের মধ্যে সাধারণ তরুণ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী এবং নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিরাও ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোনো অভিযোগের অপেক্ষায় না থেকে বাস্তব পরিস্থিতি বুঝতেই কমিশনার নিজে মাঠে নেমেছিলেন। অভিযানের পর অভিযুক্ত বেশ কিছু ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে পুলিশ এখনই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর মামলা না করে প্রাথমিকভাবে কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডেকে পাঠিয়েছে। সেখানে তাদের নারীদের প্রতি আচরণ ও আইনি বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কাল

এটি সুমতির ক্যারিয়ারে প্রথম এমন অভিযান নয়। এর আগেও তিনি ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় কাজিপেট রেলস্টেশন এলাকায় একইভাবে নারীদের নিরাপত্তা যাচাই করেছিলেন। স্টেট ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এসআইবি) সাবেক এই প্রধানের এমন সাহসী উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকে মনে করছেন, পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন সরাসরি নজরদারি অপরাধীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করবে এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।