ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

ইয়ামালের জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে বিধ্বস্ত করে বার্সার বড় জয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 23

ছবি সংগৃহীত

 

লামিনে ইয়ামালের জোড়া গোলের সঙ্গে রাফিনিয়া, ফেরমিন লোপেস ও পেদ্রির একটি করে গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। রোববার এস্তাদিও মেস্তায়ায় লা লিগার ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে কাতালান ক্লাবটি।

এই জয়ে চার ম্যাচে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে চার ম্যাচে এখনো জয়ের দেখা না পাওয়া ভ্যালেন্সিয়া ২০তম অবস্থানে রয়েছে।

আরও পড়ুন  পেনাল্টি ও লাল কার্ডের নাটকীয়তায় রিয়ালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। ফেরমিন লোপেসের দারুণ পাস থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড।

দুই মিনিট পর আবারও গোল করেছিলেন ইয়ামাল। লোপেসের পাস থেকেই পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি বল জালে পাঠালেও ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

তবে দ্বিতীয় গোলের জন্য বার্সাকে বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ২২ মিনিটে ভ্যালেন্সিয়ার এলোমেলো রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লোপেস। ডি-বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠান তিনি। চলতি লা লিগায় এটি তাঁর চতুর্থ গোল।

২০১১-১২ মৌসুমে সেস্ক ফাব্রেগাসের পর লোপেসই প্রথম স্প্যানিশ খেলোয়াড়, যিনি বার্সেলোনার হয়ে লিগ মৌসুমের প্রথম চার ম্যাচে অন্তত চার গোল করলেন।

২৪ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল বার্সা। ইয়ামালের বাঁকানো শট দারুণ দক্ষতায় ঝাঁপিয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেন ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষক স্তোলে দিমিত্রিয়েভস্কি।

৩৯ মিনিটে আবারও লোপেস ও ইয়ামালের সমন্বয়ে সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা। বক্সের মধ্যে ইয়ামালের দৌড়ের পথে বল বাড়িয়ে দেন লোপেস। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু শট নেন ইয়ামাল, তবে বল পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

২-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে বার্সেলোনা। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার ধরে রাখে তারা। ৫৬ মিনিটের দিকে লোপেসের বাড়ানো বলে আলতো টোকায় জাল খুঁজে নেন রাফিনিয়া।

এই গোলের মাধ্যমে লিওনেল মেসির একটি রেকর্ডের কথাও মনে করিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ মৌসুমে লা লিগায় বার্সেলোনার প্রথম চার ম্যাচে ছয়টি করে গোলে সরাসরি অবদান রেখেছিলেন মেসি। একুশ শতকে মেসির পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে লিগে দলের প্রথম চার ম্যাচে ছয় গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন রাফিনিয়া।

তিন গোলের লিড নিয়েও আক্রমণে ভাটা পড়েনি বার্সেলোনার। ৭৯ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে চমৎকার শটে চতুর্থ গোলটি করেন পেদ্রি।

এর পাঁচ মিনিট পর ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে বার্সার বড় জয়টি পূর্ণ করেন ইয়ামাল। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ৫-০ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইয়ামালের জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে বিধ্বস্ত করে বার্সার বড় জয়

আপডেট সময় ১২:৪৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

লামিনে ইয়ামালের জোড়া গোলের সঙ্গে রাফিনিয়া, ফেরমিন লোপেস ও পেদ্রির একটি করে গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। রোববার এস্তাদিও মেস্তায়ায় লা লিগার ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে কাতালান ক্লাবটি।

এই জয়ে চার ম্যাচে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে চার ম্যাচে এখনো জয়ের দেখা না পাওয়া ভ্যালেন্সিয়া ২০তম অবস্থানে রয়েছে।

আরও পড়ুন  আবার ছন্দহীন বার্সেলোনা

ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। ফেরমিন লোপেসের দারুণ পাস থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড।

দুই মিনিট পর আবারও গোল করেছিলেন ইয়ামাল। লোপেসের পাস থেকেই পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি বল জালে পাঠালেও ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

তবে দ্বিতীয় গোলের জন্য বার্সাকে বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। ২২ মিনিটে ভ্যালেন্সিয়ার এলোমেলো রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লোপেস। ডি-বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠান তিনি। চলতি লা লিগায় এটি তাঁর চতুর্থ গোল।

২০১১-১২ মৌসুমে সেস্ক ফাব্রেগাসের পর লোপেসই প্রথম স্প্যানিশ খেলোয়াড়, যিনি বার্সেলোনার হয়ে লিগ মৌসুমের প্রথম চার ম্যাচে অন্তত চার গোল করলেন।

২৪ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল বার্সা। ইয়ামালের বাঁকানো শট দারুণ দক্ষতায় ঝাঁপিয়ে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেন ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষক স্তোলে দিমিত্রিয়েভস্কি।

৩৯ মিনিটে আবারও লোপেস ও ইয়ামালের সমন্বয়ে সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা। বক্সের মধ্যে ইয়ামালের দৌড়ের পথে বল বাড়িয়ে দেন লোপেস। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু শট নেন ইয়ামাল, তবে বল পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

২-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে বার্সেলোনা। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার ধরে রাখে তারা। ৫৬ মিনিটের দিকে লোপেসের বাড়ানো বলে আলতো টোকায় জাল খুঁজে নেন রাফিনিয়া।

এই গোলের মাধ্যমে লিওনেল মেসির একটি রেকর্ডের কথাও মনে করিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ মৌসুমে লা লিগায় বার্সেলোনার প্রথম চার ম্যাচে ছয়টি করে গোলে সরাসরি অবদান রেখেছিলেন মেসি। একুশ শতকে মেসির পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে লিগে দলের প্রথম চার ম্যাচে ছয় গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন রাফিনিয়া।

তিন গোলের লিড নিয়েও আক্রমণে ভাটা পড়েনি বার্সেলোনার। ৭৯ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে চমৎকার শটে চতুর্থ গোলটি করেন পেদ্রি।

এর পাঁচ মিনিট পর ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে বার্সার বড় জয়টি পূর্ণ করেন ইয়ামাল। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ৫-০ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।