ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি জাহাজ জব্দ করল ইরান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 125

ছবি: সংগৃহীত

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করে নিজেদের উপকূলে নিয়ে গেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘এপামিনোডেস’ নামক প্রথম জাহাজটি ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় সেটির ওপর গুলি চালায় আইআরজিসি। এর কিছুক্ষণ পরই ‘ইউফোরিয়া’ নামের দ্বিতীয় জাহাজটিকেও গুলি ছুড়ে থামতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া বিবিসি ভেরিফাইয়ের তথ্যমতে, ‘এমএসসি-ফ্রান্সেসকা’ নামের তৃতীয় আরও একটি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আইআরজিসির নৌ কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, জব্দ করা জাহাজ দুটি প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া চলাচল করছিল এবং তাদের ন্যাভিগেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করে আন্তর্জাতিক নৌ-নিরাপত্তা বিপন্ন করেছে।

আরও পড়ুন  ইরানের দুই তেলবাহী ট্যাংকারে মার্কিন হামলা

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, বর্তমানে জাহাজ দুটি ইরানের জলসীমায় রয়েছে। এগুলোর ভেতরে থাকা মালামাল এবং নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজগুলো মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

পারস্য উপসাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে তেলের আন্তর্জাতিক সরবরাহ রুট হিসেবে পরিচিত এই প্রণালিতে এ ধরনের ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি জাহাজ জব্দ করল ইরান

আপডেট সময় ০৭:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করে নিজেদের উপকূলে নিয়ে গেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘এপামিনোডেস’ নামক প্রথম জাহাজটি ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় সেটির ওপর গুলি চালায় আইআরজিসি। এর কিছুক্ষণ পরই ‘ইউফোরিয়া’ নামের দ্বিতীয় জাহাজটিকেও গুলি ছুড়ে থামতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া বিবিসি ভেরিফাইয়ের তথ্যমতে, ‘এমএসসি-ফ্রান্সেসকা’ নামের তৃতীয় আরও একটি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আইআরজিসির নৌ কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, জব্দ করা জাহাজ দুটি প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া চলাচল করছিল এবং তাদের ন্যাভিগেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করে আন্তর্জাতিক নৌ-নিরাপত্তা বিপন্ন করেছে।

আরও পড়ুন  ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল খারাজি মারা গেছেন

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, বর্তমানে জাহাজ দুটি ইরানের জলসীমায় রয়েছে। এগুলোর ভেতরে থাকা মালামাল এবং নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজগুলো মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

পারস্য উপসাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে তেলের আন্তর্জাতিক সরবরাহ রুট হিসেবে পরিচিত এই প্রণালিতে এ ধরনের ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।