ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

ইজরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থায়ন করেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • / 131

ছবি সংগৃহীত

১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে জার্মানির রাজধানী বন থেকে গোপন ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ মিলিয়ন জার্মান মার্ক ইসরায়েলে পাঠানো হয়।

এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ বিলিয়ন মার্ক (বর্তমান মূল্যে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো)।

এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলের “নেগেভ অঞ্চলের উন্নয়ন” সহায়তা হিসেবে দেখানো হলেও, এর একটি বড় অংশ ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  স্পেন উপকূলে ডুবে যাওয়া রুশ জাহাজে পারমাণবিক সাবমেরিনের যন্ত্রাংশ ছিল

এই সমঝোতার সূচনা হয় ১৯৬০ সালে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী David Ben-Gurion এবং পশ্চিম জার্মানির চ্যান্সেলর Konrad Adenauer-এর বৈঠকের পর।

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্ট-পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।

যদিও ডিমোনা চুল্লির প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিল ফ্রান্স, তবে প্রকল্পটির উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন গোপনে জার্মান সরকারি তহবিল থেকে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইজরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থায়ন করেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

আপডেট সময় ০৫:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে জার্মানির রাজধানী বন থেকে গোপন ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ মিলিয়ন জার্মান মার্ক ইসরায়েলে পাঠানো হয়।

এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ বিলিয়ন মার্ক (বর্তমান মূল্যে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো)।

এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলের “নেগেভ অঞ্চলের উন্নয়ন” সহায়তা হিসেবে দেখানো হলেও, এর একটি বড় অংশ ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং শুরু: বিদ্যুৎ খাতের নতুন যুগে বাংলাদেশ

এই সমঝোতার সূচনা হয় ১৯৬০ সালে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী David Ben-Gurion এবং পশ্চিম জার্মানির চ্যান্সেলর Konrad Adenauer-এর বৈঠকের পর।

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্ট-পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।

যদিও ডিমোনা চুল্লির প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিল ফ্রান্স, তবে প্রকল্পটির উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন গোপনে জার্মান সরকারি তহবিল থেকে এসেছে।