ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / 140

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাই চলমান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি করেছে। বিশেষ করে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের দামেও এসেছে এর প্রভাব।

শুক্রবার (৬ মার্চ) মাত্র একদিনেই বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলার ছাড়িয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। যা সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি।

আরও পড়ুন  দুবাই পালাতে চড়া খরচ!

মূলত, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন-ইসরায়েল হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিশোধে বিশ্বজুড়ে টালমাটাল জ্বালানি ও পরিবহন খাত। সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারেও।

বিশ্বজুড়ে মোট জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশ পারস্য উপসাগরের ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে যাতায়াত করে, যা যুদ্ধের কারণে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এই সরবরাহ সংকটের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।

এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারে গত ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন দেখা গেছে। বিপরীতে তেলের বাজারে দেখা দিয়েছে বড় উল্লম্ফন। মার্কিন ক্রুড তেলের দাম ১৯ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৮০ ডলারে।

জ্বালানির এই আকাশছোঁয়া মূল্যে বিশ্বজুড়েই নতুন করে দেখা দিয়েছে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা। ডলার শক্তিশালী হওয়ায় মান হারিয়েছে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ড। বিশ্লেষকদের মতে এই যুদ্ধ কেবল ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাত নয়, এটি সারা বিশ্বের অর্থনীতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। জ্বালানি খরচের উর্ধ্বগতি এবং শেয়ারবাজারে পতন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান উভয়ের জন্যই তৈরি করেছে বড় চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম

আপডেট সময় ০৭:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাই চলমান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি করেছে। বিশেষ করে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের দামেও এসেছে এর প্রভাব।

শুক্রবার (৬ মার্চ) মাত্র একদিনেই বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলার ছাড়িয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। যা সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি।

আরও পড়ুন  দুবাই পালাতে চড়া খরচ!

মূলত, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন-ইসরায়েল হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিশোধে বিশ্বজুড়ে টালমাটাল জ্বালানি ও পরিবহন খাত। সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারেও।

বিশ্বজুড়ে মোট জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশ পারস্য উপসাগরের ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে যাতায়াত করে, যা যুদ্ধের কারণে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এই সরবরাহ সংকটের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।

এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারে গত ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন দেখা গেছে। বিপরীতে তেলের বাজারে দেখা দিয়েছে বড় উল্লম্ফন। মার্কিন ক্রুড তেলের দাম ১৯ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৮০ ডলারে।

জ্বালানির এই আকাশছোঁয়া মূল্যে বিশ্বজুড়েই নতুন করে দেখা দিয়েছে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা। ডলার শক্তিশালী হওয়ায় মান হারিয়েছে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ড। বিশ্লেষকদের মতে এই যুদ্ধ কেবল ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাত নয়, এটি সারা বিশ্বের অর্থনীতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। জ্বালানি খরচের উর্ধ্বগতি এবং শেয়ারবাজারে পতন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান উভয়ের জন্যই তৈরি করেছে বড় চ্যালেঞ্জ।