ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিলেন শি জিনপিং

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 1073

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গতকালকের ফোনালাপে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তাইওয়ানের চীনের সঙ্গে পুনর্মিলন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ– পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অংশ।

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত বৈশ্বিক কাঠামো বজায় রাখতে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন, এবং সেই কাঠামোর কেন্দ্রীয় উপাদান হলো—তাইওয়ানকে চীনের সঙ্গে যুক্ত করা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই বিষয়টিকে চীন তার মূল জাতীয় স্বার্থ হিসেবে দেখে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্য থাকলেও, চীন ঐতিহাসিক সমঝোতা ও যুদ্ধোত্তর চুক্তিগুলোর ধারাবাহিকতা চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে ট্রাম্পকে কড়া বার্তা দিলেন শি জিনপিং

আপডেট সময় ০৩:২১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গতকালকের ফোনালাপে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তাইওয়ানের চীনের সঙ্গে পুনর্মিলন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ– পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অংশ।

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত বৈশ্বিক কাঠামো বজায় রাখতে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন, এবং সেই কাঠামোর কেন্দ্রীয় উপাদান হলো—তাইওয়ানকে চীনের সঙ্গে যুক্ত করা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই বিষয়টিকে চীন তার মূল জাতীয় স্বার্থ হিসেবে দেখে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্য থাকলেও, চীন ঐতিহাসিক সমঝোতা ও যুদ্ধোত্তর চুক্তিগুলোর ধারাবাহিকতা চায়।