ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষককে অপসারণের দাবিতে ক্লাস বর্জন চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: প্রতিমন্ত্রী স্ক্যাম মেসেজ খোলার আগেই সতর্ক করবে হোয়াটসঅ্যাপ নিবন্ধনহীন কিন্ডারগার্টেন বন্ধের উদ্যোগ: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে অ/গ্নি/কা/ণ্ড, বাংলাদেশিদের জন্য হেল্পলাইন চালু চার দেশে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস অক্টোবরে পাঁচ বিভাগীয় ও জেলা শহরে শিশু হাসপাতাল চালুর ঘোষণা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট শপথ নতুন রাষ্ট্রপতির একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন পশ্চিমবঙ্গের হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন বাংলাদেশিরা

চিকিৎসা শেষে ক্যান্সারের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলেন লর্ড ক্যামেরন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 1278

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জানিয়েছেন, তিনি প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে বিষয়টি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে তুলে ধরছেন। পুরুষদের স্বাস্থ্য সচেতন করতে তার এই সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এমন তথ্য জানায়।

৫৯ বছর বয়সী লর্ড ক্যামেরন দ্য টাইমস–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, উদ্যোক্তা নিক জোন্সের একটি রেডিও সাক্ষাৎকার শুনে তার স্ত্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে তাকে উৎসাহিত করেন। জোন্স নিজেও একই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং এরপর থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতি পুরুষদের উৎসাহিত করে আসছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ক্যামেরন পিএসএ পরীক্ষা করান। রক্তে প্রোস্টেট ক্যান্সারের সংশ্লিষ্ট প্রোটিন মাত্রা পরীক্ষা করে এই টেস্ট। রিপোর্টে পিএসএ অস্বাভাবিকভাবে বেশি পাওয়ায় তাকে এমআরআই স্ক্যান ও বায়োপসির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

পরীক্ষায় ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তিনি ‘ফোকাল থেরাপি’ নামে পরিচিত আধুনিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এই পদ্ধতিতে আল্ট্রাসাউন্ডসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টিউমারের নির্দিষ্ট অংশ লক্ষ্য করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।

যুক্তরাজ্যে পুরুষদের মাঝে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সার হলো প্রোস্টেট ক্যান্সার। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় ৫৫ হাজার রোগী এ রোগে আক্রান্ত হন। সাধারণত বয়স বেশি হলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে—বিশেষ করে ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে। তবে ৫০ বছরের নিচের বয়সীদের মধ্যে এ রোগ তুলনামূলক বিরল। অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যামেরন বলেন, “স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যক্তিগত কথা বলা আমার স্বস্তির জায়গা নয়। কিন্তু মনে হলো—বলার সময় এসেছে। পুরুষরা সাধারণত এসব নিয়ে আলোচনা করতে চান না, বিষয়গুলো পরে ফেলে রাখেন।”

তিনি আরও বলেন, সময়মতো পরীক্ষা করানো তার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ এর মাধ্যমে দ্রুত রোগ শনাক্ত হয়েছে এবং চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চিকিৎসা শেষে ক্যান্সারের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলেন লর্ড ক্যামেরন

আপডেট সময় ০৩:২২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জানিয়েছেন, তিনি প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে বিষয়টি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে তুলে ধরছেন। পুরুষদের স্বাস্থ্য সচেতন করতে তার এই সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এমন তথ্য জানায়।

৫৯ বছর বয়সী লর্ড ক্যামেরন দ্য টাইমস–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, উদ্যোক্তা নিক জোন্সের একটি রেডিও সাক্ষাৎকার শুনে তার স্ত্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে তাকে উৎসাহিত করেন। জোন্স নিজেও একই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং এরপর থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতি পুরুষদের উৎসাহিত করে আসছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ক্যামেরন পিএসএ পরীক্ষা করান। রক্তে প্রোস্টেট ক্যান্সারের সংশ্লিষ্ট প্রোটিন মাত্রা পরীক্ষা করে এই টেস্ট। রিপোর্টে পিএসএ অস্বাভাবিকভাবে বেশি পাওয়ায় তাকে এমআরআই স্ক্যান ও বায়োপসির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

পরীক্ষায় ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তিনি ‘ফোকাল থেরাপি’ নামে পরিচিত আধুনিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এই পদ্ধতিতে আল্ট্রাসাউন্ডসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টিউমারের নির্দিষ্ট অংশ লক্ষ্য করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।

যুক্তরাজ্যে পুরুষদের মাঝে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সার হলো প্রোস্টেট ক্যান্সার। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় ৫৫ হাজার রোগী এ রোগে আক্রান্ত হন। সাধারণত বয়স বেশি হলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে—বিশেষ করে ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে। তবে ৫০ বছরের নিচের বয়সীদের মধ্যে এ রোগ তুলনামূলক বিরল। অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যামেরন বলেন, “স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যক্তিগত কথা বলা আমার স্বস্তির জায়গা নয়। কিন্তু মনে হলো—বলার সময় এসেছে। পুরুষরা সাধারণত এসব নিয়ে আলোচনা করতে চান না, বিষয়গুলো পরে ফেলে রাখেন।”

তিনি আরও বলেন, সময়মতো পরীক্ষা করানো তার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ এর মাধ্যমে দ্রুত রোগ শনাক্ত হয়েছে এবং চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়েছে।