ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলেপ্পোতে যুদ্ধবিরতি: সিরীয় সেনা ও কুর্দি বাহিনীর সংঘর্ষের অবসান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪১:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 1234

ছবি সংগৃহীত

 

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোতে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘর্ষের পর অবশেষে সিরীয় সরকারি বাহিনী (Syrian Army) ও সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (SDF)-এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

এই সংঘর্ষটি মূলত সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে শুরু হয়। সংঘর্ষের শুরু থেকই দুই পক্ষই আলেপ্পোর উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কৌশলগত এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং তেলসমৃদ্ধ কিছু কৌশলগত স্থান দখলে নেওয়ার জন্য লড়াই শুরু করে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি কারাগার থেকে ১৮৩ ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি: শান্তির আশায় নতুন পদক্ষেপ

তবে আন্তর্জাতিক চাপ ও রুশ মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষই আলোচনায় বসে। অবশেষে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী —

১. উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়ে নেবে।
২.নিরাপত্তা করিডর তৈরি করে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। এবং,
৩. রাশিয়া ও জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল এই যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা আলেপ্পো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে। তবে স্থায়ী শান্তি নির্ভর করবে দুই পক্ষের পারস্পরিক আস্থার ওপর।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আলেপ্পোতে যুদ্ধবিরতি: সিরীয় সেনা ও কুর্দি বাহিনীর সংঘর্ষের অবসান

আপডেট সময় ০৪:৪১:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

 

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোতে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘর্ষের পর অবশেষে সিরীয় সরকারি বাহিনী (Syrian Army) ও সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (SDF)-এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

এই সংঘর্ষটি মূলত সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে শুরু হয়। সংঘর্ষের শুরু থেকই দুই পক্ষই আলেপ্পোর উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কৌশলগত এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং তেলসমৃদ্ধ কিছু কৌশলগত স্থান দখলে নেওয়ার জন্য লড়াই শুরু করে।

আরও পড়ুন  গা/জা/য় যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, জানালেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা

তবে আন্তর্জাতিক চাপ ও রুশ মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষই আলোচনায় বসে। অবশেষে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়।

চুক্তি অনুযায়ী —

১. উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়ে নেবে।
২.নিরাপত্তা করিডর তৈরি করে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। এবং,
৩. রাশিয়া ও জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল এই যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা আলেপ্পো অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে। তবে স্থায়ী শান্তি নির্ভর করবে দুই পক্ষের পারস্পরিক আস্থার ওপর।