ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ইসরায়েলের কারাগার থেকে ৯০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 264

 

ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে ৯০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে। গতকাল রোববার মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে নারী ও শিশুরাই ছিলেন।

মুক্তিপ্রাপ্তদের একজন, খালিদা জাররার, পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনের (পিএফএলপি) নেতা এবং সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য। দীর্ঘদিন নির্জন কারাগারে বন্দী থাকার পর তাঁর শীর্ণ চেহারা দেখে সবাই মর্মাহত।

মুক্তিপ্রাপ্ত শিশুদের অনেকেই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর পাথর ছোড়ার অভিযোগে আটক ছিল। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, প্রশাসনিক আটক নীতির মাধ্যমে ইসরায়েল সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই বহু ফিলিস্তিনিকে কারাগারে আটকে রাখে। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটির তথ্য মতে, বর্তমানে ইসরায়েলের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দী। গাজার যুদ্ধের সময় আটক করা মানুষের প্রকৃত সংখ্যা এখনো অজানা।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পর গাজা থেকে ইসরায়েলে ফিরতে শুরু করেছেন হামাসের জিম্মিরা। প্রথম দফায় তিনজন জিম্মি মুক্ত হয়ে পরিবারের কাছে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলের কারাগার থেকে ৯০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

 

ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে ৯০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে। গতকাল রোববার মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে নারী ও শিশুরাই ছিলেন।

মুক্তিপ্রাপ্তদের একজন, খালিদা জাররার, পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনের (পিএফএলপি) নেতা এবং সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য। দীর্ঘদিন নির্জন কারাগারে বন্দী থাকার পর তাঁর শীর্ণ চেহারা দেখে সবাই মর্মাহত।

মুক্তিপ্রাপ্ত শিশুদের অনেকেই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর পাথর ছোড়ার অভিযোগে আটক ছিল। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, প্রশাসনিক আটক নীতির মাধ্যমে ইসরায়েল সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই বহু ফিলিস্তিনিকে কারাগারে আটকে রাখে। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটির তথ্য মতে, বর্তমানে ইসরায়েলের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দী। গাজার যুদ্ধের সময় আটক করা মানুষের প্রকৃত সংখ্যা এখনো অজানা।

এদিকে যুদ্ধবিরতির পর গাজা থেকে ইসরায়েলে ফিরতে শুরু করেছেন হামাসের জিম্মিরা। প্রথম দফায় তিনজন জিম্মি মুক্ত হয়ে পরিবারের কাছে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।