ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে নিহত ১৪, কাঠমান্ডুতে কারফিউ জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 786

ছবি: সংগৃহীত

 

সরকারি দুর্নীতি এবং সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে নেপালে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন শহরের বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করেছে।

এক প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু পোস্ট এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় ট্রমা সেন্টারে আনা ৭ জন বিক্ষোভকারী মারা গেছেন। বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালে ৩ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন  মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সমাধি কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভারতে কারফিউ জারি

সেই সঙ্গে শহরের সিভিল হাসপাতালে দু’জন এবং মহারাজগঞ্জের কেএমসি ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালে একজন করে মারা গেছেন। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসক দীপেন্দ্র পান্ডে বলেন, অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের মাথায় ও বুকে গুলি লেগেছে। ২০ জনেরও বেশি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালের কর্মকর্তা অনিল অধিকারী বলেন, ৫০ জনেরও বেশি মানুষ চিকিৎসাধীন।এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর জলকামান, কাঁদানে গ্যাস এবং তাজা গুলি ব্যবহার করেছে। কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরও অস্থিরতা রোধ এবং সংবেদনশীল সরকারি স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্ফিউ জারি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের জন্য আগে থেকেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল, কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যায়। এর ফলে জলকামান এবং টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করা হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা গাছের ডাল এবং পানির বোতল ছুঁড়ে মারে, সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং কেউ কেউ পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

হাজার হাজার তরুণ বিক্ষোভে যোগ দেয়। ব্যাপক দুর্নীতি এবং ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব ও স্ন্যাপচ্যাটসহ ২৬টি অনিবন্ধিত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর সরকারের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালে জেন-জি বিক্ষোভে নিহত ১৪, কাঠমান্ডুতে কারফিউ জারি

আপডেট সময় ০৮:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

সরকারি দুর্নীতি এবং সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে নেপালে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া জেন-জি নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন শহরের বিভিন্ন স্থানে কারফিউ জারি করেছে।

এক প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু পোস্ট এসব তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় ট্রমা সেন্টারে আনা ৭ জন বিক্ষোভকারী মারা গেছেন। বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালে ৩ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন  কারফিউ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে নেপাল

সেই সঙ্গে শহরের সিভিল হাসপাতালে দু’জন এবং মহারাজগঞ্জের কেএমসি ও ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালে একজন করে মারা গেছেন। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসক দীপেন্দ্র পান্ডে বলেন, অন্তত ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের মাথায় ও বুকে গুলি লেগেছে। ২০ জনেরও বেশি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বানেশ্বরের এভারেস্ট হাসপাতালের কর্মকর্তা অনিল অধিকারী বলেন, ৫০ জনেরও বেশি মানুষ চিকিৎসাধীন।এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর জলকামান, কাঁদানে গ্যাস এবং তাজা গুলি ব্যবহার করেছে। কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরও অস্থিরতা রোধ এবং সংবেদনশীল সরকারি স্থানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্ফিউ জারি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, পুলিশ বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের জন্য আগে থেকেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল, কিন্তু বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যায়। এর ফলে জলকামান এবং টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করা হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা গাছের ডাল এবং পানির বোতল ছুঁড়ে মারে, সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং কেউ কেউ পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

হাজার হাজার তরুণ বিক্ষোভে যোগ দেয়। ব্যাপক দুর্নীতি এবং ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব ও স্ন্যাপচ্যাটসহ ২৬টি অনিবন্ধিত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর সরকারের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়।