ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

আজারবাইজানে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ৩৩ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 461

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন একজন রেড ক্রিসেন্ট কর্মী ও আরও দুইজন বেসামরিক নাগরিক।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, পূর্ব আজারবাইজানের গভর্নর বেহরাম সারমাস্ত নিশ্চিত করেছেন, ইসরায়েল অন্তত ১৯টি স্থানে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে তাবরিজ শহর, যেখানে ১২টি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়াও বোস্তানাবাদ, শাবেস্তার, আজারশাহর, মারাগেহ এবং তুর্কমেনচায় কাউন্টিতে ইসরায়েলি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আল-জাজিরাসহ দুই সাংবাদিক নিহত: জিএমওর তীব্র নিন্দা

পাশাপাশি, রাষ্ট্র পরিচালিত প্রেস টিভি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বরাতে জানিয়েছে, পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশেও একটি অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি হামলায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন।

এই সংঘাত শুরু হয় গত শুক্রবার ভোরে, যখন ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালায়। ওই হামলায় শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও বিজ্ঞানী নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর পাল্টা জবাবে একইদিন রাতে ইরান ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।

শনিবারও ইসরায়েল তাদের অভিযান অব্যাহত রাখে। এরপর রোববার রাতেও ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। একাধিক শহরে একযোগে চালানো এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে। তবে এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষই সুর নরম করার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। বরং পাল্টাপাল্টি হামলার মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত এক নতুন স্তরে পৌঁছেছে, যা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আজারবাইজানে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ৩৩ জন

আপডেট সময় ০৮:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন একজন রেড ক্রিসেন্ট কর্মী ও আরও দুইজন বেসামরিক নাগরিক।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, পূর্ব আজারবাইজানের গভর্নর বেহরাম সারমাস্ত নিশ্চিত করেছেন, ইসরায়েল অন্তত ১৯টি স্থানে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে তাবরিজ শহর, যেখানে ১২টি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়াও বোস্তানাবাদ, শাবেস্তার, আজারশাহর, মারাগেহ এবং তুর্কমেনচায় কাউন্টিতে ইসরায়েলি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন  ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শেষে খামেনির দাফন সম্পন্ন

পাশাপাশি, রাষ্ট্র পরিচালিত প্রেস টিভি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বরাতে জানিয়েছে, পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশেও একটি অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি হামলায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন।

এই সংঘাত শুরু হয় গত শুক্রবার ভোরে, যখন ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালায়। ওই হামলায় শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও বিজ্ঞানী নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর পাল্টা জবাবে একইদিন রাতে ইরান ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।

শনিবারও ইসরায়েল তাদের অভিযান অব্যাহত রাখে। এরপর রোববার রাতেও ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। একাধিক শহরে একযোগে চালানো এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে। তবে এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষই সুর নরম করার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। বরং পাল্টাপাল্টি হামলার মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত এক নতুন স্তরে পৌঁছেছে, যা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি হয়ে উঠতে পারে।