০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

বিদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 73

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্র এমন এক নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের অনলাইন মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপকারী বিদেশি নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যদি কোনো বিদেশি সরকার বা কর্মকর্তা মার্কিন নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বা কনটেন্ট মুছতে বলেন, তবে তাদের আর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হবে না।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এই নীতিকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে সেন্সরশিপ আরোপের অভিযোগ এনে, ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ইউরোপীয় দেশগুলোকে সমালোচনা করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই ভিসা নীতিকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’-এর বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (২৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি অনলাইনে কোনো মত প্রকাশ করেন এবং তা কোনো বিদেশি সরকারের অপছন্দ হয়, তাহলেও তারা সে কারণে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। একইসাথে, মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর উপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেয়ার অধিকারও তাদের নেই।”

তবে কোন কোন দেশের নাগরিকদের এই নীতির আওতায় আনা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি রুবিও। অতীতে জার্মানি, ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ইউরোপকে ‘সেন্সরশিপের ঘাঁটি’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “গণতন্ত্রের নামে ইউরোপে মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ চালানো হচ্ছে।”

এই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি মূলত রাজনৈতিক কৌশল।

এর আগে, শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

বিদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

 

যুক্তরাষ্ট্র এমন এক নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের অনলাইন মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপকারী বিদেশি নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যদি কোনো বিদেশি সরকার বা কর্মকর্তা মার্কিন নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বা কনটেন্ট মুছতে বলেন, তবে তাদের আর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হবে না।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এই নীতিকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে সেন্সরশিপ আরোপের অভিযোগ এনে, ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ইউরোপীয় দেশগুলোকে সমালোচনা করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই ভিসা নীতিকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’-এর বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (২৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি অনলাইনে কোনো মত প্রকাশ করেন এবং তা কোনো বিদেশি সরকারের অপছন্দ হয়, তাহলেও তারা সে কারণে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। একইসাথে, মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর উপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেয়ার অধিকারও তাদের নেই।”

তবে কোন কোন দেশের নাগরিকদের এই নীতির আওতায় আনা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি রুবিও। অতীতে জার্মানি, ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ইউরোপকে ‘সেন্সরশিপের ঘাঁটি’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “গণতন্ত্রের নামে ইউরোপে মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ চালানো হচ্ছে।”

এই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি মূলত রাজনৈতিক কৌশল।

এর আগে, শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।