ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস সকল ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ আফগানিস্তানে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মোদির বৈঠকের পর ভারতকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 509

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্র এমন এক নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের অনলাইন মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপকারী বিদেশি নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যদি কোনো বিদেশি সরকার বা কর্মকর্তা মার্কিন নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বা কনটেন্ট মুছতে বলেন, তবে তাদের আর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন  ইরানের ওপর বড় হামলার ছক ইসরায়েলের: যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবুজ সংকেতের’ অপেক্ষা

এই নীতিকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে সেন্সরশিপ আরোপের অভিযোগ এনে, ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ইউরোপীয় দেশগুলোকে সমালোচনা করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই ভিসা নীতিকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’-এর বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (২৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি অনলাইনে কোনো মত প্রকাশ করেন এবং তা কোনো বিদেশি সরকারের অপছন্দ হয়, তাহলেও তারা সে কারণে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। একইসাথে, মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর উপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেয়ার অধিকারও তাদের নেই।”

তবে কোন কোন দেশের নাগরিকদের এই নীতির আওতায় আনা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি রুবিও। অতীতে জার্মানি, ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ইউরোপকে ‘সেন্সরশিপের ঘাঁটি’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “গণতন্ত্রের নামে ইউরোপে মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ চালানো হচ্ছে।”

এই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি মূলত রাজনৈতিক কৌশল।

এর আগে, শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসানীতির ঘোষণা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০১:০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

 

যুক্তরাষ্ট্র এমন এক নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের অনলাইন মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপকারী বিদেশি নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যদি কোনো বিদেশি সরকার বা কর্মকর্তা মার্কিন নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বা কনটেন্ট মুছতে বলেন, তবে তাদের আর যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপেই বদলে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির চিত্র, অর্থনীতিতে যোগ হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার

এই নীতিকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপের কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে সেন্সরশিপ আরোপের অভিযোগ এনে, ট্রাম্প প্রশাসন বারবার ইউরোপীয় দেশগুলোকে সমালোচনা করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই ভিসা নীতিকে ‘ডিজিটাল সেন্সরশিপ’-এর বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (২৮ মে) এক বিবৃতিতে মার্কো রুবিও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি অনলাইনে কোনো মত প্রকাশ করেন এবং তা কোনো বিদেশি সরকারের অপছন্দ হয়, তাহলেও তারা সে কারণে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না। একইসাথে, মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর উপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেয়ার অধিকারও তাদের নেই।”

তবে কোন কোন দেশের নাগরিকদের এই নীতির আওতায় আনা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি রুবিও। অতীতে জার্মানি, ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ইউরোপকে ‘সেন্সরশিপের ঘাঁটি’ হিসেবে উল্লেখ করে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, “গণতন্ত্রের নামে ইউরোপে মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ চালানো হচ্ছে।”

এই নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন এটি মূলত রাজনৈতিক কৌশল।

এর আগে, শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া স্থগিত করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। পাশাপাশি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।