ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গাজায় যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব: কাতার ও মিসরের উদ্যোগে আলোচনা তৎপরতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 315

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজায় ইসরায়েল-হামাস সংঘাত নিরসনে কাতার ও মিসর নতুন এক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবে পাঁচ থেকে সাত বছর মেয়াদি শান্তিচুক্তির প্রস্তাব থাকলেও এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফিলিস্তিনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করবে এবং হামাসও তাদের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি দেবে। বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি সব ফিলিস্তিনি মুক্তি পাবে।

এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রো যাচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ এবং প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া। তবে এই প্রস্তাবের ব্যাপারে ইসরায়েল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন  নাকবা দিবসে উত্তাল লন্ডন: গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

এর আগে জানুয়ারির ১৯ তারিখ গাজায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, যা মার্চের ১৮ তারিখ ভেঙে ইসরায়েল আবার হামলা শুরু করে। ইসরায়েল সম্প্রতি ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্তে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা হামাস প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে একটি চুক্তিতে সম্মত হতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, “গাজায় ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ এবং জিম্মিদের মুক্তির জন্য একটি চুক্তি জরুরি। ত্রাণ যেন হামাসের হাতে পড়ে সাধারণ মানুষের জন্য অপব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও নিশ্চয়তা প্রয়োজন।”

যুক্তরাষ্ট্রের মতে, জিম্মিদের মুক্তি এবং মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। তবে এই নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথে কতটা অগ্রগতি হবে, তা নির্ভর করছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আলোচনার ফলাফলের ওপর।

গাজায় চলমান এই সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ছে। কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় যে নতুন প্রস্তাব এসেছে, তা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব: কাতার ও মিসরের উদ্যোগে আলোচনা তৎপরতা

আপডেট সময় ০৯:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় ইসরায়েল-হামাস সংঘাত নিরসনে কাতার ও মিসর নতুন এক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবে পাঁচ থেকে সাত বছর মেয়াদি শান্তিচুক্তির প্রস্তাব থাকলেও এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফিলিস্তিনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করবে এবং হামাসও তাদের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি দেবে। বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি সব ফিলিস্তিনি মুক্তি পাবে।

এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রো যাচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ এবং প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া। তবে এই প্রস্তাবের ব্যাপারে ইসরায়েল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের বন্দরে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, শান্তিচুক্তির মাঝেও উত্তেজনা তুঙ্গে

এর আগে জানুয়ারির ১৯ তারিখ গাজায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, যা মার্চের ১৮ তারিখ ভেঙে ইসরায়েল আবার হামলা শুরু করে। ইসরায়েল সম্প্রতি ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্তে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা হামাস প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে একটি চুক্তিতে সম্মত হতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, “গাজায় ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ এবং জিম্মিদের মুক্তির জন্য একটি চুক্তি জরুরি। ত্রাণ যেন হামাসের হাতে পড়ে সাধারণ মানুষের জন্য অপব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও নিশ্চয়তা প্রয়োজন।”

যুক্তরাষ্ট্রের মতে, জিম্মিদের মুক্তি এবং মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। তবে এই নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথে কতটা অগ্রগতি হবে, তা নির্ভর করছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আলোচনার ফলাফলের ওপর।

গাজায় চলমান এই সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ছে। কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় যে নতুন প্রস্তাব এসেছে, তা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।