ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে বাড়বে করদাতা: উপদেষ্টা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ঢাকায়

ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু: গাজা যুদ্ধ ও ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি আলোচনায় ব্যস্ততা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 588

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছেছেন। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ওয়াশিংটনে অবস্থানকালে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হবেন। আলোচনায় মূল গুরুত্ব পাবে গাজা যুদ্ধ, যেখানে এখনো ৫৯ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে তাদের মুক্তির উপায় নিয়ে আলোচনা হবে বিশেষভাবে।

আরও পড়ুন  ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হবে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প

একই সঙ্গে আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতি। এই নীতির আওতায় ইসরায়েলি পণ্যের ওপর ১৭ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। ইসরায়েল এই শুল্ক নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এর প্রভাব হ্রাসে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

চ্যানেল ১২-এর তথ্য মতে, নেতানিয়াহু হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট থেকে সরাসরি ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যদিও তার সফর মঙ্গলবারের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সময়সীমা বাড়তেও পারে।

ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পর নেতানিয়াহুর কনভয় সোজা চলে যায় ব্লেয়ার হাউসে। সেখানে তার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র বলছে, এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং শুল্কনীতি নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পারে।

সাম্প্রতিক এই সফরকে বিশ্লেষকরা দেখছেন ইসরায়েলের জন্য কৌশলগত গুরুত্ব বহনকারী এক চ্যালেঞ্জিং মিশন হিসেবে যেখানে নেতানিয়াহুকে কূটনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক সংকট এবং নিরাপত্তার হুমকির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।

এ সফর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন সমীকরণ গঠনের দিকেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু: গাজা যুদ্ধ ও ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি আলোচনায় ব্যস্ততা

আপডেট সময় ১০:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছেছেন। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ওয়াশিংটনে অবস্থানকালে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হবেন। আলোচনায় মূল গুরুত্ব পাবে গাজা যুদ্ধ, যেখানে এখনো ৫৯ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে তাদের মুক্তির উপায় নিয়ে আলোচনা হবে বিশেষভাবে।

আরও পড়ুন  ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হবে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প

একই সঙ্গে আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতি। এই নীতির আওতায় ইসরায়েলি পণ্যের ওপর ১৭ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। ইসরায়েল এই শুল্ক নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এর প্রভাব হ্রাসে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

চ্যানেল ১২-এর তথ্য মতে, নেতানিয়াহু হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট থেকে সরাসরি ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যদিও তার সফর মঙ্গলবারের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সময়সীমা বাড়তেও পারে।

ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পর নেতানিয়াহুর কনভয় সোজা চলে যায় ব্লেয়ার হাউসে। সেখানে তার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র বলছে, এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং শুল্কনীতি নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পারে।

সাম্প্রতিক এই সফরকে বিশ্লেষকরা দেখছেন ইসরায়েলের জন্য কৌশলগত গুরুত্ব বহনকারী এক চ্যালেঞ্জিং মিশন হিসেবে যেখানে নেতানিয়াহুকে কূটনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক সংকট এবং নিরাপত্তার হুমকির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।

এ সফর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন সমীকরণ গঠনের দিকেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।