ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু: গাজা যুদ্ধ ও ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি আলোচনায় ব্যস্ততা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 235

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছেছেন। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ওয়াশিংটনে অবস্থানকালে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হবেন। আলোচনায় মূল গুরুত্ব পাবে গাজা যুদ্ধ, যেখানে এখনো ৫৯ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে তাদের মুক্তির উপায় নিয়ে আলোচনা হবে বিশেষভাবে।

আরও পড়ুন  ইরান-ইসরাইল সংঘাতে উত্তেজনা চরমে, ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

একই সঙ্গে আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতি। এই নীতির আওতায় ইসরায়েলি পণ্যের ওপর ১৭ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। ইসরায়েল এই শুল্ক নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এর প্রভাব হ্রাসে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

চ্যানেল ১২-এর তথ্য মতে, নেতানিয়াহু হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট থেকে সরাসরি ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যদিও তার সফর মঙ্গলবারের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সময়সীমা বাড়তেও পারে।

ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পর নেতানিয়াহুর কনভয় সোজা চলে যায় ব্লেয়ার হাউসে। সেখানে তার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র বলছে, এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং শুল্কনীতি নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পারে।

সাম্প্রতিক এই সফরকে বিশ্লেষকরা দেখছেন ইসরায়েলের জন্য কৌশলগত গুরুত্ব বহনকারী এক চ্যালেঞ্জিং মিশন হিসেবে যেখানে নেতানিয়াহুকে কূটনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক সংকট এবং নিরাপত্তার হুমকির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।

এ সফর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন সমীকরণ গঠনের দিকেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু: গাজা যুদ্ধ ও ট্রাম্পের শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি আলোচনায় ব্যস্ততা

আপডেট সময় ১০:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রবিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছেছেন। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ওয়াশিংটনে অবস্থানকালে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হবেন। আলোচনায় মূল গুরুত্ব পাবে গাজা যুদ্ধ, যেখানে এখনো ৫৯ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছে তাদের মুক্তির উপায় নিয়ে আলোচনা হবে বিশেষভাবে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের শুল্ক-আক্রমণে আবারও উত্তপ্ত বিশ্ববাণিজ্য, শান্তির আহ্বানে চীন

একই সঙ্গে আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতি। এই নীতির আওতায় ইসরায়েলি পণ্যের ওপর ১৭ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। ইসরায়েল এই শুল্ক নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এর প্রভাব হ্রাসে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

চ্যানেল ১২-এর তথ্য মতে, নেতানিয়াহু হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট থেকে সরাসরি ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। যদিও তার সফর মঙ্গলবারের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সময়সীমা বাড়তেও পারে।

ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পর নেতানিয়াহুর কনভয় সোজা চলে যায় ব্লেয়ার হাউসে। সেখানে তার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র বলছে, এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং শুল্কনীতি নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পারে।

সাম্প্রতিক এই সফরকে বিশ্লেষকরা দেখছেন ইসরায়েলের জন্য কৌশলগত গুরুত্ব বহনকারী এক চ্যালেঞ্জিং মিশন হিসেবে যেখানে নেতানিয়াহুকে কূটনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক সংকট এবং নিরাপত্তার হুমকির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।

এ সফর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন সমীকরণ গঠনের দিকেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।