ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

দক্ষিণ কোরিয়ায় আগুন নেভাতে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত পাইলট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 446

ছবি সংগৃহীত

 

দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু শহরের পার্বত্য এলাকায় ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় আগুন নেভানোর সময় বিধ্বস্ত হয়েছে একটি অগ্নিনির্বাপণ হেলিকপ্টার। রবিবারের এই দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারটির একমাত্র আরোহী পাইলট নিহত হন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড়ে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযানে অংশ নিতে গিয়েই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। যদিও দেগু ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, তবে জানা গেছে, হেলিকপ্টারটি এককভাবে অভিযানে অংশ নিচ্ছিল এবং বিধ্বস্ত হওয়ার সময় কেবল পাইলটই তাতে ছিলেন।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট ইউনের পদত্যাগ: নির্বাচন ৬০ দিনের মধ্যে

এই দুর্ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দক্ষিণ কোরিয়া ইতিহাসের ভয়াবহতম দাবানলের রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেনি। গত মাসে দেশটিতে ভয়ংকর দাবানলে ৩০ জন নিহত হন এবং পুড়ে যায় প্রায় ৪৮ হাজার হেক্টর বনভূমি। দাবানলের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, ধ্বংস হয়ে যায় বহু প্রাচীন স্থাপনা, যার মধ্যে ছিল সপ্তম শতকের ঐতিহাসিক গৌনসা মন্দির কমপ্লেক্স।

অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রবল বাতাস, অতি দ্রুত শুকিয়ে যাওয়া বনাঞ্চল এবং কয়েক মাসের কম বৃষ্টিপাত। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৪ সাল ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর, যা আগুনের ভয়াবহতা বাড়িয়ে তোলে।

প্রতিবেদন অনুসারে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট নিহত হওয়ার এটি গত এক মাসে দ্বিতীয় ঘটনা। রবিবারের আগুনটি অবশ্য দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং মার্চের ভয়াবহ দাবানলের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

বারবার হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির ঘটনায় দেশটির জরুরি সেবাব্যবস্থা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের মুখে আরও উন্নত প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দরকার এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দক্ষিণ কোরিয়ায় আগুন নেভাতে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত পাইলট

আপডেট সময় ০৮:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু শহরের পার্বত্য এলাকায় ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় আগুন নেভানোর সময় বিধ্বস্ত হয়েছে একটি অগ্নিনির্বাপণ হেলিকপ্টার। রবিবারের এই দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারটির একমাত্র আরোহী পাইলট নিহত হন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ ও আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড়ে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযানে অংশ নিতে গিয়েই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। যদিও দেগু ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, তবে জানা গেছে, হেলিকপ্টারটি এককভাবে অভিযানে অংশ নিচ্ছিল এবং বিধ্বস্ত হওয়ার সময় কেবল পাইলটই তাতে ছিলেন।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট ইউনের পদত্যাগ: নির্বাচন ৬০ দিনের মধ্যে

এই দুর্ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দক্ষিণ কোরিয়া ইতিহাসের ভয়াবহতম দাবানলের রেশ কাটিয়ে উঠতে পারেনি। গত মাসে দেশটিতে ভয়ংকর দাবানলে ৩০ জন নিহত হন এবং পুড়ে যায় প্রায় ৪৮ হাজার হেক্টর বনভূমি। দাবানলের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, ধ্বংস হয়ে যায় বহু প্রাচীন স্থাপনা, যার মধ্যে ছিল সপ্তম শতকের ঐতিহাসিক গৌনসা মন্দির কমপ্লেক্স।

অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রবল বাতাস, অতি দ্রুত শুকিয়ে যাওয়া বনাঞ্চল এবং কয়েক মাসের কম বৃষ্টিপাত। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৪ সাল ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর, যা আগুনের ভয়াবহতা বাড়িয়ে তোলে।

প্রতিবেদন অনুসারে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট নিহত হওয়ার এটি গত এক মাসে দ্বিতীয় ঘটনা। রবিবারের আগুনটি অবশ্য দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং মার্চের ভয়াবহ দাবানলের সঙ্গে এর কোনো সংযোগ নেই বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

বারবার হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির ঘটনায় দেশটির জরুরি সেবাব্যবস্থা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের মুখে আরও উন্নত প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দরকার এখন সময়ের দাবি।