ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপে বড় ধাক্কা নয়, আত্মবিশ্বাসী অর্থ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 464

ছবি সংগৃহীত

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেও তা খুব বেশি সমস্যার সৃষ্টি করবে না বলে আশাবাদ জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুন  ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০৩৫ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র

রোববার (৬ এপ্রিল) ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারব। আমাদের অর্থনীতি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিশীল।”

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “গত মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় ইতিবাচক বার্তা। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।”

তিনি মনে করেন, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটাই ভালো আছে এবং মানুষের কেনাকাটার সক্ষমতা বেড়েছে। “এবার ঈদে মানুষ সন্তুষ্টভাবে সময় কাটিয়েছে। বাজারে ভিড় ছিল, কেনাকাটাও হয়েছে ভালো। এটা অর্থনীতির শক্তি নির্দেশ করে,” বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের নীতি প্রথম নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত এসেছে, আমরা তা সফলভাবে সামাল দিয়েছি। এবারও পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক। আমরা যদি গুণগত মান বজায় রাখি, নতুন বাজার খুঁজি এবং বিদ্যমান বাজারে আমাদের অবস্থান দৃঢ় করি, তাহলে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করাই সম্ভব।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং রপ্তানিমুখী খাতকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপকে সরকার কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখলেও, আগেভাগেই পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপে বড় ধাক্কা নয়, আত্মবিশ্বাসী অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেও তা খুব বেশি সমস্যার সৃষ্টি করবে না বলে আশাবাদ জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নবায়নে নতুন জটিলতা, বিপাকে পড়তে পারেন হাজারো বাংলাদেশি

রোববার (৬ এপ্রিল) ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারব। আমাদের অর্থনীতি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিশীল।”

ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “গত মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি বড় ইতিবাচক বার্তা। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।”

তিনি মনে করেন, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটাই ভালো আছে এবং মানুষের কেনাকাটার সক্ষমতা বেড়েছে। “এবার ঈদে মানুষ সন্তুষ্টভাবে সময় কাটিয়েছে। বাজারে ভিড় ছিল, কেনাকাটাও হয়েছে ভালো। এটা অর্থনীতির শক্তি নির্দেশ করে,” বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের নীতি প্রথম নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত এসেছে, আমরা তা সফলভাবে সামাল দিয়েছি। এবারও পারব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বাংলাদেশের পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক। আমরা যদি গুণগত মান বজায় রাখি, নতুন বাজার খুঁজি এবং বিদ্যমান বাজারে আমাদের অবস্থান দৃঢ় করি, তাহলে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করাই সম্ভব।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং রপ্তানিমুখী খাতকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপকে সরকার কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখলেও, আগেভাগেই পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলার ওপর জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা।