ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

চীনের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ, চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 576

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলাদেশ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন  সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল বাস্তবায়নে অগ্রগতি: প্রাথমিক শিক্ষা উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশে একটি চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ কেন্দ্র গড়ে উঠলে দুই দেশের মাঝে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে, যা জনস্তরে সম্পর্ক আরও গভীর করতে সহায়ক হবে।

চীনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে কেবল বাংলাদেশই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোরও অর্থনৈতিক উপকার হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের শিল্পখাতে কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তি জ্ঞানের উন্নয়ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশের গণ্ডি পেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের পথে এগোচ্ছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, এই রূপান্তরকে সাফল্যমণ্ডিত করতে অভ্যন্তরীণ ঐক্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “শান্তিই একমাত্র পথ যুদ্ধ কখনো সমাধান হতে পারে না।”

চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ করবে। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ৫০ বছরের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আজ আরও দৃঢ় হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, চীন তার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করেই বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় পাশে থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ চীনের হাইনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (BFA) ২০২৫-এর বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন ড. ইউনূস। সেখান থেকে তিনি বেইজিং সফরে যান, যা প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সফর।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ, চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় ১২:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

 

 

বাংলাদেশ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রেই নয়, বরং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন  ​নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশে একটি চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ কেন্দ্র গড়ে উঠলে দুই দেশের মাঝে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে, যা জনস্তরে সম্পর্ক আরও গভীর করতে সহায়ক হবে।

চীনের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে শিল্প কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে কেবল বাংলাদেশই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোরও অর্থনৈতিক উপকার হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের শিল্পখাতে কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তি জ্ঞানের উন্নয়ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশের গণ্ডি পেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের পথে এগোচ্ছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, এই রূপান্তরকে সাফল্যমণ্ডিত করতে অভ্যন্তরীণ ঐক্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, “শান্তিই একমাত্র পথ যুদ্ধ কখনো সমাধান হতে পারে না।”

চীন সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ করবে। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ৫০ বছরের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আজ আরও দৃঢ় হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, চীন তার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করেই বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় পাশে থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ চীনের হাইনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (BFA) ২০২৫-এর বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন ড. ইউনূস। সেখান থেকে তিনি বেইজিং সফরে যান, যা প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সফর।