ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

আমরা চাই সকল শহীদ পরিবারের চোখের জল মুছে দিতে: মা ও শিশু উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 347

ছবি সংগৃহীত

 

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস. মুরশিদ বলেছেন, শহীদ রিয়ার নামে নির্মিত স্টেডিয়াম বছরের পর বছর ধরে রিয়ার স্মৃতি বহন করবে। শিশু-কিশোররা যখনই খেলতে আসবে, তখনই রিয়ার নাম দেখে জানতে চাইবে কেন এই নামকরণ। সেই সঙ্গে তারা রিয়ার গল্প জানবে এবং তার বীরত্বের ইতিহাস মনে রাখবে। তিনি জানান, স্টেডিয়ামের একটি অংশে সুন্দর কর্নার তৈরি করা হবে, যেখানে দেশের হারিয়ে যাওয়া ও শহীদ শিশুদের নাম ও স্মৃতি সংরক্ষিত থাকবে।

রবিবার (৬ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শহীদ রিয়া গোপের বাড়িতে গিয়ে শহীদ রিয়ার মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শারমীন এস. মুরশিদ। এ সময় তিনি রিয়ার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুন  চীনের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ, চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

শারমীন মুরশিদ বলেন, “এই প্রথমবারের মতো আমরা জানতে পেরেছি যে এই আন্দোলনে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু শহীদ হয়েছে। আমরা চাই তাদের পরিবারের চোখের জল মুছে দিতে। সব শহীদ পরিবারে যাওয়া সম্ভব না হলেও, আমরা পাশে আছি।”

তিনি আরও বলেন, “পুরো জুলাই মাস আমরা এই শহীদ শিশুদের স্মরণে উৎসর্গ করেছি। যারা চলে গেছে, তাদের পরিবারের কাছে গিয়ে বলছি আমরা তোমাদের ভুলিনি এবং কোনোদিন ভুলব না। যে ক্ষতি হয়েছে, যে আত্মত্যাগ তারা করেছে, তার যথাযথ সম্মান রাষ্ট্র দেবে। দেশের মানুষও তাদের চিরকাল মনে রাখবে। এটি যেন আমাদের মননে এবং ভাষণে অম্লান থাকে।”

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা আরও জানান, শহীদ শিশুদের স্মরণে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি এই ধরনের নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আশ্বাস দেন তিনি।

শহীদ রিয়ার নামে গড়ে ওঠা স্টেডিয়াম ও স্মৃতিকোণ ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আমরা চাই সকল শহীদ পরিবারের চোখের জল মুছে দিতে: মা ও শিশু উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:০৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

 

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস. মুরশিদ বলেছেন, শহীদ রিয়ার নামে নির্মিত স্টেডিয়াম বছরের পর বছর ধরে রিয়ার স্মৃতি বহন করবে। শিশু-কিশোররা যখনই খেলতে আসবে, তখনই রিয়ার নাম দেখে জানতে চাইবে কেন এই নামকরণ। সেই সঙ্গে তারা রিয়ার গল্প জানবে এবং তার বীরত্বের ইতিহাস মনে রাখবে। তিনি জানান, স্টেডিয়ামের একটি অংশে সুন্দর কর্নার তৈরি করা হবে, যেখানে দেশের হারিয়ে যাওয়া ও শহীদ শিশুদের নাম ও স্মৃতি সংরক্ষিত থাকবে।

রবিবার (৬ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় শহীদ রিয়া গোপের বাড়িতে গিয়ে শহীদ রিয়ার মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শারমীন এস. মুরশিদ। এ সময় তিনি রিয়ার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুন  ১২০০ বস্তা চাল “গুজব”: প্রতিক্রিয়া জানালেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

শারমীন মুরশিদ বলেন, “এই প্রথমবারের মতো আমরা জানতে পেরেছি যে এই আন্দোলনে ১১ জন মেয়ে ও ১৩৫ জন শিশু শহীদ হয়েছে। আমরা চাই তাদের পরিবারের চোখের জল মুছে দিতে। সব শহীদ পরিবারে যাওয়া সম্ভব না হলেও, আমরা পাশে আছি।”

তিনি আরও বলেন, “পুরো জুলাই মাস আমরা এই শহীদ শিশুদের স্মরণে উৎসর্গ করেছি। যারা চলে গেছে, তাদের পরিবারের কাছে গিয়ে বলছি আমরা তোমাদের ভুলিনি এবং কোনোদিন ভুলব না। যে ক্ষতি হয়েছে, যে আত্মত্যাগ তারা করেছে, তার যথাযথ সম্মান রাষ্ট্র দেবে। দেশের মানুষও তাদের চিরকাল মনে রাখবে। এটি যেন আমাদের মননে এবং ভাষণে অম্লান থাকে।”

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা আরও জানান, শহীদ শিশুদের স্মরণে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি এই ধরনের নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আশ্বাস দেন তিনি।

শহীদ রিয়ার নামে গড়ে ওঠা স্টেডিয়াম ও স্মৃতিকোণ ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।