ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশকে আমি ভালোবাসি’, বললেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, কয়েকদিন চলবে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রামপুরা হত্যাকাণ্ডের রায়ে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ তিনজনের ফাঁসি পাঁচ দিনের সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ায় সেনাপ্রধান কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলার রায় ঘোষণা আজ মেসির রেকর্ড গড়া গোলে জর্ডানকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা ব্যথায় বরফ নাকি গরম সেঁক— কোন পরিস্থিতিতে কোনটি কার্যকর? ড্রেসিংরুমে চিঠি রেখে গেল ইরান, কী ছিল সেই চিঠিতে? জর্ডানের বিপক্ষে কেমন হচ্ছে আর্জেন্টিনার একাদশ ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচে নীরবতা

কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, কয়েকদিন চলবে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / 20

ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জাতীয় কর্মসূচি কয়েকদিন ধরে চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, প্রথম দিনে কোনো শিশু বাদ পড়লেও পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে, যাতে কোনো শিশুই এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে।

রোববার (২৮ জুন) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রথম দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে দ্বিতীয় দিন, দ্বিতীয় দিন বাদ পড়লে তৃতীয় দিন, আর প্রয়োজন হলে চতুর্থ দিনও তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আরও পড়ুন  ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড, ১১৬ দিনেই শেষ বিচার

তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের পাশাপাশি শিশুদের মায়ের দুধ খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জন্মের পরপরই শিশুকে শালদুধ পান করাতে হবে, কারণ এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি শিশুদের বয়স উপযোগী সুষম খাদ্য নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তিনি জানান, বর্তমানে সরকারের হাতে লাল ও নীল রঙের প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে চলমান জাতীয় ক্যাম্পেইনে প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকার মান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে মান যাচাইয়ের পরই উন্নতমানের টিকা ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেশে আনা হয়েছে। ইউনিসেফের সহযোগিতায় এসব সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এর গুণগত মান নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, কয়েকদিন চলবে ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:১২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সারাদেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জাতীয় কর্মসূচি কয়েকদিন ধরে চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, প্রথম দিনে কোনো শিশু বাদ পড়লেও পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে, যাতে কোনো শিশুই এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে।

রোববার (২৮ জুন) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রথম দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে দ্বিতীয় দিন, দ্বিতীয় দিন বাদ পড়লে তৃতীয় দিন, আর প্রয়োজন হলে চতুর্থ দিনও তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আরও পড়ুন  সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার মজুত ছিল না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের পাশাপাশি শিশুদের মায়ের দুধ খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জন্মের পরপরই শিশুকে শালদুধ পান করাতে হবে, কারণ এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি শিশুদের বয়স উপযোগী সুষম খাদ্য নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তিনি জানান, বর্তমানে সরকারের হাতে লাল ও নীল রঙের প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে চলমান জাতীয় ক্যাম্পেইনে প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকার মান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে মান যাচাইয়ের পরই উন্নতমানের টিকা ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেশে আনা হয়েছে। ইউনিসেফের সহযোগিতায় এসব সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এর গুণগত মান নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।