ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
নির্বাচনের আগে যেভাবে একসঙ্গে কাজ করেছি, দেশ গঠনেও থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের জন্য ব্যাকুল কেউ কেউ’: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা/ম/লায় গ্রে/প্তার ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ কলকাতায় মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল, অল্পের জন্য রক্ষা পাওয়ার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চু*রির মা*ম*লায় তদন্ত প্রতিবেদন ৯৭ বার পেছাল হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাবুনগর মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হ/ত্যা মা*ম*লা, ডন আ*টক সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ১০ নেতাকর্মীকে পি*টি*য়ে হাসপাতালে পাঠাল নি/ষি/দ্ধ ছাত্রলীগ ‘বিভ্রান্ত করে জনগণের শান্তি নষ্ট করবেন না’: প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সিভিল সার্জনকে বদলির নির্দেশ

ঢামেককে মানবিক নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / 60

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালকে অতীতের ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে গবেষণা, উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢামেকের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিকিৎসক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞান যতই প্রযুক্তিনির্ভর হোক না কেন, এর কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় মানুষই থাকে। তার ভাষ্য, চিকিৎসা পেশার প্রকৃত ভিত্তি মানবিকতা এবং অনেক সময় একজন চিকিৎসকের আশ্বস্ত করার একটি বাক্যও রোগীর জন্য ওষুধের মতো কার্যকর হতে পারে।

তিনি বলেন, চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা হয়নি। গাইনি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগে দায়িত্ব পালনের সময় অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের কষ্ট কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যেখানে প্রতিটি রোগী সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা ও সহমর্মিতা পাবে।

আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রে পরিণত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীদের পরিচয়ের শিকড় একই প্রতিষ্ঠানে। তাই শুধু স্মৃতির নয়, দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেও সবাইকে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং সেই প্রতিষ্ঠানের মানুষ, তাদের মেধা ও মূল্যবোধ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে একজন মানুষ, একটি পরিবার ও একটি জীবনের গল্প জড়িয়ে থাকে উল্লেখ করে তিনি চিকিৎসকদের পেশাগত প্রতিযোগিতার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢামেককে মানবিক নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

আপডেট সময় ০৬:২৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালকে অতীতের ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে গবেষণা, উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢামেকের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিকিৎসক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞান যতই প্রযুক্তিনির্ভর হোক না কেন, এর কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় মানুষই থাকে। তার ভাষ্য, চিকিৎসা পেশার প্রকৃত ভিত্তি মানবিকতা এবং অনেক সময় একজন চিকিৎসকের আশ্বস্ত করার একটি বাক্যও রোগীর জন্য ওষুধের মতো কার্যকর হতে পারে।

তিনি বলেন, চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা হয়নি। গাইনি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগে দায়িত্ব পালনের সময় অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের কষ্ট কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যেখানে প্রতিটি রোগী সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা ও সহমর্মিতা পাবে।

আগামী ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রে পরিণত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীদের পরিচয়ের শিকড় একই প্রতিষ্ঠানে। তাই শুধু স্মৃতির নয়, দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেও সবাইকে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং সেই প্রতিষ্ঠানের মানুষ, তাদের মেধা ও মূল্যবোধ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে একজন মানুষ, একটি পরিবার ও একটি জীবনের গল্প জড়িয়ে থাকে উল্লেখ করে তিনি চিকিৎসকদের পেশাগত প্রতিযোগিতার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।