ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কামরাঙ্গীরচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুন এইএচএসসি পাস করার সাথে সাথে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: একই হোটেলে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্টের ওপর আগেও হামলা হয়েছিল ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলা: নিরাপত্তা বলয় ভেঙে প্রবেশের চেষ্টায় যুবক আটক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের রূপকার রঘু রাইয়ের প্রয়াণ: শোকাতুর দুই দেশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বড় বাজেট থাকলেও গবেষণায় বরাদ্দ নেই: শিক্ষামন্ত্রী নীল আলোর চেয়েও ভয়ঙ্কর রাতের ঘুম কাড়ছে স্মার্টফোনের ‘কনটেন্ট’ ছেলেকে হত্যার পর বাবার ট্রেনের নিচে ঝাঁপ ২৬ এপ্রিল ২০২৬: স্বর্ণের বাজার দর ছাত্রদলের প্রথম সভাপতি গোলাম সারোয়ার মিলন আর নেই

এইএচএসসি পাস করার সাথে সাথে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 17

ছবি সংগৃহীত

 

এইচএসসি পাস করার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে শিক্ষার্থীরা যাতে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যে বড় ধরণের প্রশাসনিক পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় এই পরিকল্পনার কথা জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় নষ্ট হওয়া বা সেশন গ্যাপ দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, “আমরা চাই ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা শেষ করতে, যাতে জানুয়ারি থেকেই নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু করা যায়। কোনো ধরনের অপেক্ষার সময় বা গ্যাপ রাখা হবে না।”

আরও পড়ুন  অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ভর্তি পরীক্ষার এই নতুন লক্ষ্য বাস্তবায়নে বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “এখানে স্টেকহোল্ডার শুধু বোর্ড নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে। বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সিলেবাস, কারিকুলাম ও ক্লাস—সবকিছু মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে আমাদের এগোতে হবে।”

শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস সঠিকভাবে দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন। তাঁর মতে, এইচএসসি পাস করার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের সময় অপচয় না হয়।

ইউজিসি আয়োজিত ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মশালায় মন্ত্রী গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপরও আলোকপাত করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এইএচএসসি পাস করার সাথে সাথে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

 

এইচএসসি পাস করার পর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে শিক্ষার্থীরা যাতে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যে বড় ধরণের প্রশাসনিক পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় এই পরিকল্পনার কথা জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় নষ্ট হওয়া বা সেশন গ্যাপ দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, “আমরা চাই ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা শেষ করতে, যাতে জানুয়ারি থেকেই নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু করা যায়। কোনো ধরনের অপেক্ষার সময় বা গ্যাপ রাখা হবে না।”

আরও পড়ুন  'কারিকুলাম পরিবর্তন করতেই হবে, বিকল্প নেই': শিক্ষামন্ত্রী

ভর্তি পরীক্ষার এই নতুন লক্ষ্য বাস্তবায়নে বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “এখানে স্টেকহোল্ডার শুধু বোর্ড নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে। বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সিলেবাস, কারিকুলাম ও ক্লাস—সবকিছু মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ও সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে আমাদের এগোতে হবে।”

শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস সঠিকভাবে দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন। তাঁর মতে, এইচএসসি পাস করার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের সময় অপচয় না হয়।

ইউজিসি আয়োজিত ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মশালায় মন্ত্রী গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপরও আলোকপাত করেন।