ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের

কারিকুলাম ও সিলেবাসে বড় পরিবর্তন আসছে: শিক্ষামন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / 118

ছবি: সংগৃহীত

প্রথাগত শিক্ষা ও জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক প্রবণতা থেকে বেরিয়ে নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কারিকুলাম ও সিলেবাসে পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনছে।

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে ড. মিলন বলেন, দেশের শিল্প খাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এই শূন্যতা পূরণ করে বিশাল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবল বছর শেষে পরীক্ষা নিলে চলবে না, বরং প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, সরকার ইতিমধ্যে ‘তৃতীয় ভাষা’ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষ করে চীনা ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বিশাল সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত শিক্ষা গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  এসএসসির ফলের ভিত্তিতেই একাদশে ভর্তি, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গুণগত শিক্ষা অর্জনে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। অনুষ্ঠানে উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কারিকুলাম ও সিলেবাসে বড় পরিবর্তন আসছে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

প্রথাগত শিক্ষা ও জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক প্রবণতা থেকে বেরিয়ে নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কারিকুলাম ও সিলেবাসে পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনছে।

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে ড. মিলন বলেন, দেশের শিল্প খাতের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এই শূন্যতা পূরণ করে বিশাল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেবল বছর শেষে পরীক্ষা নিলে চলবে না, বরং প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, সরকার ইতিমধ্যে ‘তৃতীয় ভাষা’ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষ করে চীনা ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বিশাল সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত শিক্ষা গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের আন্দোলন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গুণগত শিক্ষা অর্জনে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। অনুষ্ঠানে উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।