ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

রাজশাহী বিভাগের আমের বাম্পার ফলনের আশায় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • / 498

ছবি সংগৃহীত

 

এবারের আমের মৌসুমে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে মুকুল, ছড়াচ্ছে মিষ্টি গন্ধ। রাজশাহী বিভাগের প্রতিটি জেলায় আমের বাম্পার ফলন হতে যাচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

বাণিজ্যিক দিক বিবেচনায় রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, এবং সিরাজগঞ্জ এর আম প্রক্রিয়াজাত করে নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন ও রফতানি প্রক্রিয়া সহজ করতে পারলে, লাভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা মনে করছেন।

আরও পড়ুন  রাজশাহীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে ভর্তি

এদিকে কৃষি বিভাগ ও ফল গবেষণায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞরা, বাগান মালিকদের জন্য নানা পরামর্শ প্রদান করছেন যাতে ভালো ফলন পাওয়া যায়। নওগাঁ জেলার বাগানগুলো দেশের মধ্যে আম উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে। এ বছর কুয়াশার পরিমাণ কম থাকার কারণে দুই সপ্তাহ আগেই গাছগুলোকে মুকুলে ঢেকে গেছে। সোনারাঙ্গা, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপালি এবং বারি জাতের আমের বাগান বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ পেয়েছে। এখন গাছে প্রচুর পরিমাণ মুকুল দেখে, বাগান মালিকরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

আবহাওয়া অনুকূল থাকায় রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার বাগান মালিকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু জানিয়েছেন, এই ৮টি জেলার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

খরার কারণে আমের গুটি ঝরে না পড়ে, সেজন্য বাগানে নিয়মিত সেচ দেওয়ার পাশাপাশি কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহী ফল গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুজিত কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলায় বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদিত হবে।

এবারের আমের মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁয় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রচুর পরিমাণ আম উৎপাদন হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহী বিভাগের আমের বাম্পার ফলনের আশায় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় ০১:৫১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

 

এবারের আমের মৌসুমে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে মুকুল, ছড়াচ্ছে মিষ্টি গন্ধ। রাজশাহী বিভাগের প্রতিটি জেলায় আমের বাম্পার ফলন হতে যাচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

বাণিজ্যিক দিক বিবেচনায় রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, এবং সিরাজগঞ্জ এর আম প্রক্রিয়াজাত করে নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন ও রফতানি প্রক্রিয়া সহজ করতে পারলে, লাভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা মনে করছেন।

আরও পড়ুন  রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালকের ওপর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ: অবহেলার দায়ে কঠোর সমালোচনা

এদিকে কৃষি বিভাগ ও ফল গবেষণায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞরা, বাগান মালিকদের জন্য নানা পরামর্শ প্রদান করছেন যাতে ভালো ফলন পাওয়া যায়। নওগাঁ জেলার বাগানগুলো দেশের মধ্যে আম উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে। এ বছর কুয়াশার পরিমাণ কম থাকার কারণে দুই সপ্তাহ আগেই গাছগুলোকে মুকুলে ঢেকে গেছে। সোনারাঙ্গা, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপালি এবং বারি জাতের আমের বাগান বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ পেয়েছে। এখন গাছে প্রচুর পরিমাণ মুকুল দেখে, বাগান মালিকরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

আবহাওয়া অনুকূল থাকায় রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার বাগান মালিকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু জানিয়েছেন, এই ৮টি জেলার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

খরার কারণে আমের গুটি ঝরে না পড়ে, সেজন্য বাগানে নিয়মিত সেচ দেওয়ার পাশাপাশি কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহী ফল গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুজিত কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলায় বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদিত হবে।

এবারের আমের মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁয় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রচুর পরিমাণ আম উৎপাদন হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।