ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তির ইঙ্গিত: ফের ২০ বিলিয়নের ঘরে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 379

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা স্বস্তির হাওয়া বইছে। দীর্ঘদিন ধরে ২০ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে ওঠানামা করা রিজার্ভ সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলার ছুঁলেও আকু বিল পরিশোধের পর তা ১৯ বিলিয়নে নেমে আসে। তবে মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে বিপিএম-৬ মান অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়েছে ২৩ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ বর্তমানে ২৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ বিলিয়ন ডলারে

কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভের তিনটি পৃথক হিসাব সংরক্ষণ করে মোট রিজার্ভ, আইএমএফ নির্ধারিত বিপিএম-৬ মান অনুযায়ী হিসাব এবং ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ। মোট রিজার্ভের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিল ও ঋণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা বাস্তবে ব্যবহারযোগ্য নয়।

আইএমএফের হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী, কিছু অংশ বাদ দিয়ে রিজার্ভ নির্ধারিত হয়। তবে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয় না, এটি শুধু আইএমএফকে জানানো হয়। সূত্রমতে, নিট রিজার্ভ বর্তমানে ১৫ বিলিয়নের ঘরে রয়েছে।

একসময় ব্যবহারের জন্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়নের নিচে নেমে গিয়েছিল। তখন বৈদেশিক ঋণ ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। বর্তমানে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ থাকায় এবং বিভিন্ন উৎস থেকে বৈদেশিক মুদ্রা সংযোজন হওয়ায় রিজার্ভের ধারা ইতিবাচক হয়ে উঠছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রিজার্ভের এই ধারা অব্যাহত রাখতে রপ্তানি বৃদ্ধি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ জোরদার করা জরুরি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তির ইঙ্গিত: ফের ২০ বিলিয়নের ঘরে

আপডেট সময় ০৭:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা স্বস্তির হাওয়া বইছে। দীর্ঘদিন ধরে ২০ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে ওঠানামা করা রিজার্ভ সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলার ছুঁলেও আকু বিল পরিশোধের পর তা ১৯ বিলিয়নে নেমে আসে। তবে মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে বিপিএম-৬ মান অনুযায়ী রিজার্ভ বেড়েছে ২৩ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ বর্তমানে ২৫ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন  নতুন নোট বিক্রি বেআইনি, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভের তিনটি পৃথক হিসাব সংরক্ষণ করে মোট রিজার্ভ, আইএমএফ নির্ধারিত বিপিএম-৬ মান অনুযায়ী হিসাব এবং ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ। মোট রিজার্ভের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিল ও ঋণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা বাস্তবে ব্যবহারযোগ্য নয়।

আইএমএফের হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী, কিছু অংশ বাদ দিয়ে রিজার্ভ নির্ধারিত হয়। তবে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয় না, এটি শুধু আইএমএফকে জানানো হয়। সূত্রমতে, নিট রিজার্ভ বর্তমানে ১৫ বিলিয়নের ঘরে রয়েছে।

একসময় ব্যবহারের জন্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়নের নিচে নেমে গিয়েছিল। তখন বৈদেশিক ঋণ ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। বর্তমানে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ থাকায় এবং বিভিন্ন উৎস থেকে বৈদেশিক মুদ্রা সংযোজন হওয়ায় রিজার্ভের ধারা ইতিবাচক হয়ে উঠছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রিজার্ভের এই ধারা অব্যাহত রাখতে রপ্তানি বৃদ্ধি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ জোরদার করা জরুরি।