ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ পর্যালোচনায় সরকার: আইনমন্ত্রী রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য, বহুমুখীকরণে জোর সরকারের সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন শেখ হাসিনার সঙ্গে সাহাবুদ্দিনের ফোনালাপের তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চাকরির পেছনে নয়, কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান মির্জা ফখরুলের কোমর ভেঙে দুই বছর ধরে বিছানাবন্দি, বাঁচার আকুতি বৃদ্ধ সাইদুলের হজের নিবন্ধন ২৭ জুলাই থেকে, যেতে পারবেন না যারা কাঁচি দিয়ে মা-বাবাকে হ/ত্যা: ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, গ্রে/প্তার ছেলে ‘৯৮ মামলায় ৯৯ দিন রিমান্ডে ছিলাম’, আদালতে সুবিধা চাইলেন পলক যৌতুক, নি/র্যাতন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 78

ছবি: সংগৃহীত

 

 

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ ভাতা চালুর প্রস্তাব করেছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শহীদ পরিবারের জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ক্যাটাগরিভেদে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  কুমিল্লায় মেঘনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনের ধাক্কায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, আহত ৫

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা প্রদান করা হবে। একই পরিমাণ ভাতা পাবেন ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধারাও।

এছাড়া ‘বি’ ক্যাটাগরির আহতদের জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা এবং ‘সি’ ক্যাটাগরির আহতদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ভাতার পাশাপাশি গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ কর-সুবিধার প্রস্তাবও করা হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের তুলনায় তাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্যে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে সম্ভাব্য বাজেট ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। এটি বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট। নতুন অর্থবছর শুরু হবে আগামী ১ জুলাই থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ

আপডেট সময় ০৫:৪৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

 

 

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ ভাতা চালুর প্রস্তাব করেছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শহীদ পরিবারের জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ক্যাটাগরিভেদে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  কুমিল্লায় মেঘনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনের ধাক্কায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, আহত ৫

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে প্রণীত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা প্রদান করা হবে। একই পরিমাণ ভাতা পাবেন ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধারাও।

এছাড়া ‘বি’ ক্যাটাগরির আহতদের জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা এবং ‘সি’ ক্যাটাগরির আহতদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ভাতার পাশাপাশি গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ কর-সুবিধার প্রস্তাবও করা হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের তুলনায় তাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্যে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে সম্ভাব্য বাজেট ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। এটি বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট। নতুন অর্থবছর শুরু হবে আগামী ১ জুলাই থেকে।