ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

পরিকল্পনা ও সচেতনতােই খরচ কমানোর সেরা কৌশল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 142

ছবি: সংগৃহীত

 

হিসাব কষে বাজার: পরিকল্পনা ও সচেতনতায় বাঁচবে টাকা

নিত্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্যের বাজারে সাপ্তাহিক খরচে লাগাম টানা এখন সময়ের দাবি। কিছু কৌশলগত পরিবর্তন ও সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে বাজেটের বড় একটি অংশ সাশ্রয় করা সম্ভব।

আরও পড়ুন  টালমাটাল ইউক্রেন যুদ্ধ: পশ্চিমাদের কৌশল বদলাচ্ছে? শেষ পর্যন্ত কি পুতিনই জিততে চলেছেন!

বিশেষজ্ঞ তাসমিয়া জান্নাতের মতে, পরিকল্পনা ছাড়া বাজার করা বা খাবার অপচয় করার মতো ছোট ছোট ভুলেই মাসের শেষে খরচের বোঝা বড় হয়ে দাঁড়ায়।

খরচ কমাতে প্রথমেই ঘরে থাকা পণ্যের হিসাব নেওয়া এবং একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা প্রয়োজন। সাপ্তাহিক খাবারের মেনু আগে থেকেই ঠিক করে রাখলে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমে।

এছাড়া ‘ছয়-এক’ নিয়ম অনুসরণ করে সুষম বাজার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে টাটকা সবজির পাশাপাশি হিমায়িত সবজি ও ফল ব্যবহার করা সাশ্রয়ী হতে পারে, কারণ এগুলো দ্রুত নষ্ট হয় না এবং পুষ্টিগুণও অটুট থাকে।

সাশ্রয়ী হওয়ার আরও কিছু কার্যকর উপায় হলো মৌসুমী ফল ও সবজি কেনা এবং স্থানীয় বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ করা। আগে থেকে কাটা বা প্রস্তুত করা খাবার কেনা এড়িয়ে নিজে প্রস্তুত করলে খরচ অনেকটাই কমে।

এছাড়া মাংসের মতো দামি প্রোটিনের বিকল্প হিসেবে অন্যান্য প্রোটিন উৎস বা নিরামিষ খাবার তালিকায় রাখা যেতে পারে। সর্বোপরি, খাবারের অপচয় রোধ করা এবং অফার দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাই হলো মিতব্যয়ী হওয়ার মূল মন্ত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

পরিকল্পনা ও সচেতনতােই খরচ কমানোর সেরা কৌশল

আপডেট সময় ০২:০৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

হিসাব কষে বাজার: পরিকল্পনা ও সচেতনতায় বাঁচবে টাকা

নিত্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্যের বাজারে সাপ্তাহিক খরচে লাগাম টানা এখন সময়ের দাবি। কিছু কৌশলগত পরিবর্তন ও সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে বাজেটের বড় একটি অংশ সাশ্রয় করা সম্ভব।

আরও পড়ুন  পানামা খাল নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় জয়ের ইঙ্গিত, ট্রাম্পের কৌশলগত বিজয়

বিশেষজ্ঞ তাসমিয়া জান্নাতের মতে, পরিকল্পনা ছাড়া বাজার করা বা খাবার অপচয় করার মতো ছোট ছোট ভুলেই মাসের শেষে খরচের বোঝা বড় হয়ে দাঁড়ায়।

খরচ কমাতে প্রথমেই ঘরে থাকা পণ্যের হিসাব নেওয়া এবং একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা প্রয়োজন। সাপ্তাহিক খাবারের মেনু আগে থেকেই ঠিক করে রাখলে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমে।

এছাড়া ‘ছয়-এক’ নিয়ম অনুসরণ করে সুষম বাজার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে টাটকা সবজির পাশাপাশি হিমায়িত সবজি ও ফল ব্যবহার করা সাশ্রয়ী হতে পারে, কারণ এগুলো দ্রুত নষ্ট হয় না এবং পুষ্টিগুণও অটুট থাকে।

সাশ্রয়ী হওয়ার আরও কিছু কার্যকর উপায় হলো মৌসুমী ফল ও সবজি কেনা এবং স্থানীয় বাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ করা। আগে থেকে কাটা বা প্রস্তুত করা খাবার কেনা এড়িয়ে নিজে প্রস্তুত করলে খরচ অনেকটাই কমে।

এছাড়া মাংসের মতো দামি প্রোটিনের বিকল্প হিসেবে অন্যান্য প্রোটিন উৎস বা নিরামিষ খাবার তালিকায় রাখা যেতে পারে। সর্বোপরি, খাবারের অপচয় রোধ করা এবং অফার দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাই হলো মিতব্যয়ী হওয়ার মূল মন্ত্র।