ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মিললো ছাত্রদল নেতার লাশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 69

ছবি : সংগৃহীত

 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসান নামে এক ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন  নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, ইসিতে তিন দফা অভিযোগ

জিসান চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার বাসিন্দা। তিনি কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে লোটনী এলাকায় সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে কয়েকজন ব্যক্তি সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে করে জিসানকে তুলে নিয়ে যায়। প্রায় চার ঘণ্টা পর খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় মহাসড়কের পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পরিবারের দাবি, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশ মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

এদিকে, জিসানের বড় ভাই কায়সারের সঙ্গে কবির টাওয়ারের মালিক জকরিয়ার ছোট ভাই মিজানের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কায়সারের দাবি, জিসান অপহরণের প্রায় দুই ঘণ্টা আগে তাদের মধ্যে ওই কথোপকথন হয়।

ছড়িয়ে পড়া অডিওতে মিজানকে জিসানকে নিয়ে সমাধানে বসার কথা বলতে এবং তা না হলে নিজের মতো করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। একই সঙ্গে জিসানকে খুঁজতে ৫০ জন প্রস্তুত থাকার কথাও তিনি বলেন। তবে অডিওটি মিজানেরই কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়রা সবুজবাগ আবাসিক এলাকার কবির টাওয়ারের পার্কিংয়ে সাদা রঙের একটি এক্স-নোহা গাড়ি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে বাড়ির মালিক জকরিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুটেজ দেখানো সম্ভব হয়নি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, জিসানকে কেন অপহরণ করা হয়েছিল এবং কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মিললো ছাত্রদল নেতার লাশ

আপডেট সময় ০২:২২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসান নামে এক ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন  শহিদুল আলমকে অপহরণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

জিসান চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার বাসিন্দা। তিনি কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে লোটনী এলাকায় সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে কয়েকজন ব্যক্তি সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে করে জিসানকে তুলে নিয়ে যায়। প্রায় চার ঘণ্টা পর খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় মহাসড়কের পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পরিবারের দাবি, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার লাশ মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

এদিকে, জিসানের বড় ভাই কায়সারের সঙ্গে কবির টাওয়ারের মালিক জকরিয়ার ছোট ভাই মিজানের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কায়সারের দাবি, জিসান অপহরণের প্রায় দুই ঘণ্টা আগে তাদের মধ্যে ওই কথোপকথন হয়।

ছড়িয়ে পড়া অডিওতে মিজানকে জিসানকে নিয়ে সমাধানে বসার কথা বলতে এবং তা না হলে নিজের মতো করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। একই সঙ্গে জিসানকে খুঁজতে ৫০ জন প্রস্তুত থাকার কথাও তিনি বলেন। তবে অডিওটি মিজানেরই কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়রা সবুজবাগ আবাসিক এলাকার কবির টাওয়ারের পার্কিংয়ে সাদা রঙের একটি এক্স-নোহা গাড়ি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে বাড়ির মালিক জকরিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুটেজ দেখানো সম্ভব হয়নি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, জিসানকে কেন অপহরণ করা হয়েছিল এবং কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।