ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চেকের মামলায় পাওনা পরিশোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 28

ছবি সংগৃহীত

 

চেক ডিজঅনার মামলায় চেকে উল্লেখ করা আর্থিক দায় পুরোপুরি পরিশোধ এবং পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো বা দেওয়া কারাদণ্ড বহাল রাখা সমীচীন নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, এ ধরনের মামলার মূল লক্ষ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া বা কারাবন্দি রাখা নয়; বরং পাওনা অর্থ আদায় নিশ্চিত করা।

নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট (এনআই অ্যাক্ট), ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়ের করা একটি ক্রিমিনাল আপিল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন ডা. জুবাইদা রহমান

‘মো. আবদুল হান্নান মাস্টার বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য’ মামলায় গত ৬ সেপ্টেম্বর এ রায় দেওয়া হয়।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, চেকের মাধ্যমে সৃষ্ট আর্থিক দায় সম্পূর্ণ পরিশোধ হয়ে গেলে এবং মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে আপস-মীমাংসা হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড বহাল রাখার প্রয়োজন নেই।

মামলাটিতে রায় ঘোষণার সময় আবেদনকারীর পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। বিবাদীপক্ষ ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের হয়ে আইনজীবী মো. জিসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তাসনুভা কায়সার।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সিরাজুল করিম (রবি)।

হাইকোর্ট চেকের টাকা ও ব্যাংকের পাওনাদি সম্পূর্ণ পরিশোধ এবং পক্ষগুলোর মধ্যে আপস-মীমাংসার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তির এক বছরের কারাদণ্ড বাতিল করেছেন।

একই সঙ্গে আপিল দায়েরের আগে অধস্তন আদালতে জমা দেওয়া ১৪ হাজার ১০০ টাকা ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চেকের মামলায় পাওনা পরিশোধ ও সমঝোতা হলে কারাদণ্ড নয়: হাইকোর্ট

আপডেট সময় ১২:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

চেক ডিজঅনার মামলায় চেকে উল্লেখ করা আর্থিক দায় পুরোপুরি পরিশোধ এবং পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো বা দেওয়া কারাদণ্ড বহাল রাখা সমীচীন নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, এ ধরনের মামলার মূল লক্ষ্য কাউকে শাস্তি দেওয়া বা কারাবন্দি রাখা নয়; বরং পাওনা অর্থ আদায় নিশ্চিত করা।

নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট (এনআই অ্যাক্ট), ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়ের করা একটি ক্রিমিনাল আপিল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন ডা. জুবাইদা রহমান

‘মো. আবদুল হান্নান মাস্টার বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য’ মামলায় গত ৬ সেপ্টেম্বর এ রায় দেওয়া হয়।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, চেকের মাধ্যমে সৃষ্ট আর্থিক দায় সম্পূর্ণ পরিশোধ হয়ে গেলে এবং মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে আপস-মীমাংসা হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড বহাল রাখার প্রয়োজন নেই।

মামলাটিতে রায় ঘোষণার সময় আবেদনকারীর পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। বিবাদীপক্ষ ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের হয়ে আইনজীবী মো. জিসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তাসনুভা কায়সার।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সিরাজুল করিম (রবি)।

হাইকোর্ট চেকের টাকা ও ব্যাংকের পাওনাদি সম্পূর্ণ পরিশোধ এবং পক্ষগুলোর মধ্যে আপস-মীমাংসার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তির এক বছরের কারাদণ্ড বাতিল করেছেন।

একই সঙ্গে আপিল দায়েরের আগে অধস্তন আদালতে জমা দেওয়া ১৪ হাজার ১০০ টাকা ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।