ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ১২ দেশের পদক্ষেপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 30

ছবি সংগৃহীত

 

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা ইউরোপীয় পর্যায়ে এমন নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে ১২টি দেশ। দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার পাশাপাশি ইউরোপের আরও নয়টি দেশ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ১২ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্যোগের কথা জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় পর্যায়ে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রচেষ্টাকেও সমর্থন করা হবে।

আরও পড়ুন  ইংলিশ চ্যানেলে পার হয়ে যুক্তরাজ্যে অবৈধ অভিবাসী ঢল: ২০২৫ সালে নতুন রেকর্ডের শঙ্কা

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কয়েকটি দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী এ বিষয়ে অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।

১২ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অভিযোগ করেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েল সরকারের কর্মকাণ্ড দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

এই উদ্যোগে যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্সের সঙ্গে রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন ও সুইডেন।

এর আগে মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে জানান, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাজ্য। একই ধরনের নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা কানাডা ও ফ্রান্সও দেবে বলে জানান তিনি।

মিলিব্যান্ড বলেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইডেনও এই পদক্ষেপকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ঠেকাতে একটি বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা কাঠামো চালু করা হবে। তার ভাষায়, শুধু অন্যায় ও দুর্ভোগের নিন্দা জানানোর পরিবর্তে যুক্তরাজ্যকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মিলিব্যান্ড বলেন, আরও দুর্ভোগ এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ধ্বংসের ঘটনাকে যুক্তরাজ্য নীরবে দেখে যাবে না।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ করে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ এসব বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইসরায়েল এ ধরনের আইনি অবস্থানের সঙ্গে একমত নয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ১২ দেশের পদক্ষেপ

আপডেট সময় ১১:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা ইউরোপীয় পর্যায়ে এমন নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে ১২টি দেশ। দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার পাশাপাশি ইউরোপের আরও নয়টি দেশ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ১২ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্যোগের কথা জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে জাতীয় পর্যায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় পর্যায়ে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রচেষ্টাকেও সমর্থন করা হবে।

আরও পড়ুন  ফ্রান্সের মার্সেইয়ে ভয়াবহ দাবানল, আহত অন্তত ১১০

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কয়েকটি দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী এ বিষয়ে অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।

১২ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অভিযোগ করেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েল সরকারের কর্মকাণ্ড দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

এই উদ্যোগে যুক্তরাজ্য, কানাডা ও ফ্রান্সের সঙ্গে রয়েছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেন ও সুইডেন।

এর আগে মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে জানান, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে যুক্তরাজ্য। একই ধরনের নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা কানাডা ও ফ্রান্সও দেবে বলে জানান তিনি।

মিলিব্যান্ড বলেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও সুইডেনও এই পদক্ষেপকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ ঠেকাতে একটি বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা কাঠামো চালু করা হবে। তার ভাষায়, শুধু অন্যায় ও দুর্ভোগের নিন্দা জানানোর পরিবর্তে যুক্তরাজ্যকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মিলিব্যান্ড বলেন, আরও দুর্ভোগ এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ধ্বংসের ঘটনাকে যুক্তরাজ্য নীরবে দেখে যাবে না।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ করে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ এসব বসতিকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইসরায়েল এ ধরনের আইনি অবস্থানের সঙ্গে একমত নয়।