ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • / 13

ছবি সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার, ১৫ জুন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হবে। এর আগে ৮ জুন এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ডিফেন্স আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোর মৃত্যুর কারণে ট্রাইব্যুনাল তা একদিনের জন্য স্থগিত করেছিল।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ, রাজা চার্লসের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকার

মামলার চার আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক এবং ফজলে রাব্বি।

অন্যদিকে, মামলার পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, অতিরিক্ত উপকমিশনার রওশুনুল হকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সাবেক কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

এর আগে ১০ মে প্রসিকিউশনের দাখিল করা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠনের সময় গ্রেপ্তার চার আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের উসকানি, প্ররোচনা এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উপস্থিতিতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়।

প্রসিকিউশনের দাবি, ওই ঘটনায় মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

আপডেট সময় ১১:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার, ১৫ জুন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হবে। এর আগে ৮ জুন এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ডিফেন্স আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোর মৃত্যুর কারণে ট্রাইব্যুনাল তা একদিনের জন্য স্থগিত করেছিল।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ, রাজা চার্লসের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকার

মামলার চার আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক এবং ফজলে রাব্বি।

অন্যদিকে, মামলার পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, অতিরিক্ত উপকমিশনার রওশুনুল হকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সাবেক কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

এর আগে ১০ মে প্রসিকিউশনের দাখিল করা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠনের সময় গ্রেপ্তার চার আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের উসকানি, প্ররোচনা এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উপস্থিতিতে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়।

প্রসিকিউশনের দাবি, ওই ঘটনায় মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলছে।