ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেল আপিলে দায় স্বীকার প্রধান আসামির, খালাস চাইলেন স্বপ্না

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / 12

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সোহেল রানা জেল আপিলে নিজের অপরাধ স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আপিলে তিনি দাবি করেন, আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকাসক্তির কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন।

রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্টে শুনানির সময় জেল আপিলে দেওয়া বক্তব্যে সোহেল রানা বলেন, তিনি আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছিলেন এবং একটি অটোরিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রির কাজ করতেন। তিনি নিজেকে নিয়মিত মাদকসেবী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মাদকাসক্তির কারণে পরিবারে প্রায়ই অশান্তি ও বিরোধ সৃষ্টি হতো।

জেল আপিলে সোহেল রানা উল্লেখ করেন, এর আগে তিনি কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না। মামলার ভুক্তভোগী শিশুর সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা মাদকাসক্ত অবস্থায় ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, আর্থিক অভাব, পারিবারিক অস্থিরতা এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থার কারণে ঘটনাটি ঘটেছে এবং পরিণতি সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন না।

আপিলে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার একটি সন্তান রয়েছে এবং পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানের শিক্ষার ব্যয় বহনের মতো বর্তমানে আর কেউ নেই। এজন্য তিনি আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অন্যদিকে একই মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি স্বপ্না আক্তার জেল আপিলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি আদালতের কাছে খালাস প্রার্থনা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার হাইকোর্টে জেল আপিল দায়ের করেন। রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্ট তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন।

মামলাটি শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা সংক্রান্ত হওয়ায় সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী কার্যক্রম চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জেল আপিলে দায় স্বীকার প্রধান আসামির, খালাস চাইলেন স্বপ্না

আপডেট সময় ০৭:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সোহেল রানা জেল আপিলে নিজের অপরাধ স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। আপিলে তিনি দাবি করেন, আর্থিক সংকট, পারিবারিক অশান্তি এবং মাদকাসক্তির কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন।

রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্টে শুনানির সময় জেল আপিলে দেওয়া বক্তব্যে সোহেল রানা বলেন, তিনি আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছিলেন এবং একটি অটোরিকশা গ্যারেজে মিস্ত্রির কাজ করতেন। তিনি নিজেকে নিয়মিত মাদকসেবী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মাদকাসক্তির কারণে পরিবারে প্রায়ই অশান্তি ও বিরোধ সৃষ্টি হতো।

জেল আপিলে সোহেল রানা উল্লেখ করেন, এর আগে তিনি কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না। মামলার ভুক্তভোগী শিশুর সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা মাদকাসক্ত অবস্থায় ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, আর্থিক অভাব, পারিবারিক অস্থিরতা এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থার কারণে ঘটনাটি ঘটেছে এবং পরিণতি সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন না।

আপিলে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার একটি সন্তান রয়েছে এবং পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানের শিক্ষার ব্যয় বহনের মতো বর্তমানে আর কেউ নেই। এজন্য তিনি আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

অন্যদিকে একই মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি স্বপ্না আক্তার জেল আপিলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি আদালতের কাছে খালাস প্রার্থনা করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার হাইকোর্টে জেল আপিল দায়ের করেন। রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্ট তাদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন।

মামলাটি শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা সংক্রান্ত হওয়ায় সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী কার্যক্রম চলছে।