ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুরের হিলিতে সরকারি দপ্তরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: গ্রেপ্তার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 173

ছবি সংগৃহীত

 

দিনাজপুরের হাকিমপুরে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এক নারী খামারিকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে এই ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী নারী দাবি করেছেন। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শুক্রবার রাতেই অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় একজন গরুর খামারি এবং দুই সন্তানের জননী।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ওই নারী খামারির পূর্বপরিচয় ছিল। সেই সুবাদে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গল্প করার কথা বলে ভুক্তভোগীকে মুঠোফোনে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নেন ওই কর্মকর্তা। ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, তিনি কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর এক পর্যায়ে কক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

আরও পড়ুন  বন্দরে জোড়া খুন: সাবেক কাউন্সিলরসহ চারজন গ্রেপ্তার

হাকিমপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ। রাত আটটার দিকে হাকিমপুর পৌর শহরের হিলি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হাকিমপুর থানার উপপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মকর্তাকে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে দিনাজপুর আদালতে হাজির করা হবে।”

একাধিক স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, গ্রেপ্তার হওয়া এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এর আগেও নারী সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছিল। তবে বিভাগীয় বা আইনিভাবে সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বর্তমান ঘটনায় পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

নারীর প্রতি সহিংসতা ও স্পর্শকাতর অপরাধের ক্ষেত্রে আমরা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। ভুক্তভোগীর পরিচয় ও বিস্তারিত বর্ণনা এড়িয়ে সামাজিক মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও আদালতের রায়ের মাধ্যমেই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দিনাজপুরের হিলিতে সরকারি দপ্তরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: গ্রেপ্তার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৭:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

 

দিনাজপুরের হাকিমপুরে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এক নারী খামারিকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে এই ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী নারী দাবি করেছেন। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শুক্রবার রাতেই অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারী স্থানীয় একজন গরুর খামারি এবং দুই সন্তানের জননী।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ওই নারী খামারির পূর্বপরিচয় ছিল। সেই সুবাদে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গল্প করার কথা বলে ভুক্তভোগীকে মুঠোফোনে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নেন ওই কর্মকর্তা। ভুক্তভোগীর দাবি অনুযায়ী, তিনি কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর এক পর্যায়ে কক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

আরও পড়ুন  হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, পাসপোর্টযাত্রী পারাপার স্বাভাবিক

হাকিমপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ। রাত আটটার দিকে হাকিমপুর পৌর শহরের হিলি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হাকিমপুর থানার উপপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মকর্তাকে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে দিনাজপুর আদালতে হাজির করা হবে।”

একাধিক স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, গ্রেপ্তার হওয়া এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এর আগেও নারী সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছিল। তবে বিভাগীয় বা আইনিভাবে সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বর্তমান ঘটনায় পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

নারীর প্রতি সহিংসতা ও স্পর্শকাতর অপরাধের ক্ষেত্রে আমরা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় বিশ্বাসী। ভুক্তভোগীর পরিচয় ও বিস্তারিত বর্ণনা এড়িয়ে সামাজিক মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও আদালতের রায়ের মাধ্যমেই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে।