ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

চাচাকে কুপিয়ে উল্টো থানায় অভিযোগ: হাসপাতালে কৃষক লীগ নেতার মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 158

ছবি: সংগৃহীত

 

মোহনপুরে এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কৃষক লীগ নেতা কামরুল হাসান মিঠুকে (৪০) কুপিয়ে জখম করার পর অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তবে সেই অভিযোগের কয়েক ঘণ্টার মাথায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ওই নেতা।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতক ব্যক্তি সম্পর্কে নিহতের ভাতিজা। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাকায় বিশ্বমানের হাসপাতাল করতে চায় চীন

নিহত কামরুল হাসান মিঠু মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে নিজের জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় একটি প্লাস্টিকের পাইপ ফেটে সামান্য পানি পাশের পেঁয়াজ খেতে চলে যায়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ভাতিজা সাদ্দাম (২৮)। তর্কের এক পর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কামরুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।

ঘটনার পর কামরুল হাসানকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে নিজেকে বাঁচাতে এক অদ্ভুত চাল চালেন অভিযুক্ত সাদ্দাম। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি নিজেই থানায় হাজির হন এবং নিজের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে উল্টো কামরুলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

থানায় অভিযোগের কয়েক ঘণ্টাতেই মৃত্যু
সাদ্দাম থানা থেকে অভিযোগ করে ফেরার কিছু সময় পরই, রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কামরুল হাসান। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই সাদ্দাম এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেন।

মোহনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী জানান,”সাদ্দাম থানায় এসে কামরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরেই কামরুল মারা যান। এখন সাদ্দামকে আটকের চেষ্টা চলছে এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

এসআই আরো বলেন,আজ রোববার রামেক হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাচাকে কুপিয়ে উল্টো থানায় অভিযোগ: হাসপাতালে কৃষক লীগ নেতার মৃত্যু

আপডেট সময় ১০:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

মোহনপুরে এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কৃষক লীগ নেতা কামরুল হাসান মিঠুকে (৪০) কুপিয়ে জখম করার পর অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তবে সেই অভিযোগের কয়েক ঘণ্টার মাথায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ওই নেতা।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতক ব্যক্তি সম্পর্কে নিহতের ভাতিজা। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন  হাসপাতালে ঢুকে ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢামেকে প্রেরণ

নিহত কামরুল হাসান মিঠু মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে নিজের জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় একটি প্লাস্টিকের পাইপ ফেটে সামান্য পানি পাশের পেঁয়াজ খেতে চলে যায়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ভাতিজা সাদ্দাম (২৮)। তর্কের এক পর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কামরুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।

ঘটনার পর কামরুল হাসানকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে নিজেকে বাঁচাতে এক অদ্ভুত চাল চালেন অভিযুক্ত সাদ্দাম। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি নিজেই থানায় হাজির হন এবং নিজের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে উল্টো কামরুলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

থানায় অভিযোগের কয়েক ঘণ্টাতেই মৃত্যু
সাদ্দাম থানা থেকে অভিযোগ করে ফেরার কিছু সময় পরই, রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কামরুল হাসান। মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই সাদ্দাম এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেন।

মোহনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী জানান,”সাদ্দাম থানায় এসে কামরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পরেই কামরুল মারা যান। এখন সাদ্দামকে আটকের চেষ্টা চলছে এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

এসআই আরো বলেন,আজ রোববার রামেক হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।