ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বার্তা ইউটিউব দেখে বিকল্প জ্বালানি তৈরির চেষ্টা: বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই, মে মাসে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

বিদেশে এস আলম গ্রুপ মালিকের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / 279

ছবি সংগৃহীত

 

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার স্ত্রী ফারজানা পারভীনের নামে বিদেশে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও বিনিয়োগ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৪ জুন), দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক তিনটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  ১৬ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ১৬৮ বিডিআর সদস্য 

দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত নিম্নলিখিত সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন: সাইপ্রাসের লিমাসল জেলায় একটি দুইতলা বাড়ি

ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসে: হ্যাজেক ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেডে ৩,৫০,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ, পিকক প্রপার্টি হোল্ডিংসসহ আরও ১৮টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ, জার্সি ট্রাস্ট কোম্পানির অধীনে ৬টি ট্রাস্টে থাকা বিভিন্ন অঙ্কের বিনিয়োগ।

এইসব বিনিয়োগ ও সম্পদ বর্তমানে জব্দের আওতায় থাকবে এবং সেগুলোতে কোনো রকম লেনদেন বা পরিবর্তন করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছেন।

দুদকের আইনজীবীরা আদালতে জানান, এস আলম গ্রুপের কর্ণধার ও তার স্ত্রী অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে বিভিন্ন দেশে এই সম্পদ অর্জন করেছেন। অনুসন্ধানে এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে এই বিনিয়োগগুলো বৈধ উৎস থেকে আসেনি।

ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও বিদেশে থাকা এই সম্পদ যাতে অপচয় বা স্থানান্তর না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই আদেশ চাওয়া হয়েছে।

এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশে অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠী। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক, পণ্য আমদানি-রপ্তানি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে।

এই আদেশকে দেশের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, বিদেশে পাচার করা অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধেও এখন আইনি পদক্ষেপ আরও সক্রিয় ও কার্যকর হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশে এস আলম গ্রুপ মালিকের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৮:০০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

 

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার স্ত্রী ফারজানা পারভীনের নামে বিদেশে থাকা বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও বিনিয়োগ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৪ জুন), দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক তিনটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব এই আদেশ দেন।

আরও পড়ুন  জামিন ছাড়াই হত্যা মামলার তিন আসামি মুক্ত, কারাগারে ‘গুরুতর গাফিলতি’

দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত নিম্নলিখিত সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন: সাইপ্রাসের লিমাসল জেলায় একটি দুইতলা বাড়ি

ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসে: হ্যাজেক ইন্টারন্যাশনাল পিটিই লিমিটেডে ৩,৫০,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ, পিকক প্রপার্টি হোল্ডিংসসহ আরও ১৮টি কোম্পানিতে বিনিয়োগ, জার্সি ট্রাস্ট কোম্পানির অধীনে ৬টি ট্রাস্টে থাকা বিভিন্ন অঙ্কের বিনিয়োগ।

এইসব বিনিয়োগ ও সম্পদ বর্তমানে জব্দের আওতায় থাকবে এবং সেগুলোতে কোনো রকম লেনদেন বা পরিবর্তন করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছেন।

দুদকের আইনজীবীরা আদালতে জানান, এস আলম গ্রুপের কর্ণধার ও তার স্ত্রী অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে বিভিন্ন দেশে এই সম্পদ অর্জন করেছেন। অনুসন্ধানে এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে এই বিনিয়োগগুলো বৈধ উৎস থেকে আসেনি।

ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও বিদেশে থাকা এই সম্পদ যাতে অপচয় বা স্থানান্তর না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই আদেশ চাওয়া হয়েছে।

এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশে অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠী। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক, পণ্য আমদানি-রপ্তানি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ জালিয়াতি, অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে।

এই আদেশকে দেশের দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, বিদেশে পাচার করা অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধেও এখন আইনি পদক্ষেপ আরও সক্রিয় ও কার্যকর হচ্ছে।