ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 144

ছবি সংগৃহীত

 

পূর্ব ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র বেলারুশ। এর আয়তন প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার। রাশিয়া, ইউক্রেন, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়ার সঙ্গে এর সীমান্ত রয়েছে। রাজধানী মিনস্ক—যা দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

ইতিহাসের দিক থেকে বেলারুশ বহু সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল, যার মধ্যে রুশ সাম্রাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দেশটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর বেলারুশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

আরও পড়ুন  সপ্তমবারের মতো বেলারুশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন লুকাশেঙ্কো

রাজনৈতিকভাবে বেলারুশ একটি প্রজাতন্ত্র হলেও দীর্ঘদিন ধরে এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে ক্ষমতা পরিচালিত হচ্ছে। দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা রয়েছে।

অর্থনীতির দিক থেকে বেলারুশে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বেশ শক্তিশালী। শিল্প, কৃষি ও উৎপাদন খাত দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি। বিশেষ করে যন্ত্রপাতি, সার ও কৃষিপণ্য উৎপাদনে দেশটি পরিচিত।

নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে পরিচালিত হয়। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিষয়ে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে সমালোচনা আছে।

ধর্মীয়ভাবে অধিকাংশ মানুষ খ্রিস্টান, বিশেষ করে অর্থোডক্স চার্চের অনুসারী। ধর্মীয় ঐতিহ্য সমাজে কিছুটা প্রভাব রাখে।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে বেলারুশ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সবুজ বনভূমি, হ্রদ এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বিশেষ করে মির ক্যাসেল ও নেসভিজ প্রাসাদ তাদের স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত।

সব মিলিয়ে, বেলারুশ এমন একটি দেশ যেখানে ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ মিলিয়ে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ

আপডেট সময় ০৬:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

 

পূর্ব ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র বেলারুশ। এর আয়তন প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার। রাশিয়া, ইউক্রেন, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া ও লাটভিয়ার সঙ্গে এর সীমান্ত রয়েছে। রাজধানী মিনস্ক—যা দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

ইতিহাসের দিক থেকে বেলারুশ বহু সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল, যার মধ্যে রুশ সাম্রাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দেশটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর বেলারুশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

আরও পড়ুন  বেলারুশে রাশিয়ার ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন, ইউরোপজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ

রাজনৈতিকভাবে বেলারুশ একটি প্রজাতন্ত্র হলেও দীর্ঘদিন ধরে এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে ক্ষমতা পরিচালিত হচ্ছে। দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা রয়েছে।

অর্থনীতির দিক থেকে বেলারুশে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বেশ শক্তিশালী। শিল্প, কৃষি ও উৎপাদন খাত দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি। বিশেষ করে যন্ত্রপাতি, সার ও কৃষিপণ্য উৎপাদনে দেশটি পরিচিত।

নাগরিক জীবনে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে পরিচালিত হয়। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিষয়ে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে সমালোচনা আছে।

ধর্মীয়ভাবে অধিকাংশ মানুষ খ্রিস্টান, বিশেষ করে অর্থোডক্স চার্চের অনুসারী। ধর্মীয় ঐতিহ্য সমাজে কিছুটা প্রভাব রাখে।

ভ্রমণ ও পর্যটনের ক্ষেত্রে বেলারুশ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সবুজ বনভূমি, হ্রদ এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বিশেষ করে মির ক্যাসেল ও নেসভিজ প্রাসাদ তাদের স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত।

সব মিলিয়ে, বেলারুশ এমন একটি দেশ যেখানে ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ মিলিয়ে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে উঠেছে।