ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

দুমকিতে ধর্ষন মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বাদী নিজেই ফেসে গেলেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / 604

ছবি সংগৃহীত

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ব্যবহার করে ধর্ষনের নাটক সাজিয়ে দায়েরকৃত মামলার বাদী মোসাঃ কহিনুর বেগম(৪৬)কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ঢাকা আদালতে রিমান্ডে সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ আটজন

রোববার ২২ জুন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়েকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ফরিদ হাওলাদার এর পুত্র রাসেল হাওলাদার(৩৭) এর সহযোগিতায় মোক্তার হোসেন মৃধা(৪১) জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো প্রকার আলামত না পাওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এ ঘটনার পর গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগ এনে রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে কোহিনুর বেগমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষের অন্য আসামিরা হলেন কোহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, তাঁদের দুই মেয়ে জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম এবং স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ইউপি নির্বাচনে পক্ষে কাজ না করার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ মিথ্যা মামলা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুমকিতে ধর্ষন মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বাদী নিজেই ফেসে গেলেন

আপডেট সময় ০৩:২৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রতিপক্ষকে ফাসাতে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ব্যবহার করে ধর্ষনের নাটক সাজিয়ে দায়েরকৃত মামলার বাদী মোসাঃ কহিনুর বেগম(৪৬)কে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি

রোববার ২২ জুন দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. নিলুফার ইয়াসমিন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কোহিনুর বেগম দুমকী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় তাঁর প্রতিবন্ধী মেয়েকে একা পেয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ফরিদ হাওলাদার এর পুত্র রাসেল হাওলাদার(৩৭) এর সহযোগিতায় মোক্তার হোসেন মৃধা(৪১) জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো প্রকার আলামত না পাওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এ ঘটনার পর গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর মানহানি ও হয়রানির অভিযোগ এনে রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে কোহিনুর বেগমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেই মামলায় কোহিনুর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বাদীপক্ষের অন্য আসামিরা হলেন কোহিনুরের স্বামী কামাল শরীফ, তাঁদের দুই মেয়ে জোসনা আক্তার ও মারুফা আক্তার, ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদার, রেবেকা বেগম এবং স্থানীয় চৌকিদার মিজানুর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও ইউপি নির্বাচনে পক্ষে কাজ না করার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ মিথ্যা মামলা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসির হাওলাদারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তো রিসিভ করেননি এবং তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।