ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

শাহবাগ-পল্টন থানার দুই মামলায় আনিসুল হকসহ ৩ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 477

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারীর রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. মিজবাহ উর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতে হাজির করার পর, শাহবাগ থানার একটি হত্যা মামলায় আনিসুল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় মোশাররফ হোসেন ও বাবুল সরদার চাখারীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন উপ-পরিদর্শক বিমান তরফদার। শুনানি শেষে আদালত আনিসুল হকের পাঁচদিন ও অপর দুইজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন  ঢাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা: শিক্ষক সুদীপের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শাহবাগ থানার হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে অংশ নেন ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। আন্দোলনের একপর্যায়ে আসামিদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। নিহতের স্ত্রী ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে অংশ নেয় বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এই সমাবেশে অংশ নেন ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মন। অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ আসামিরা হামলা চালিয়ে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হন সায়মন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গত ২৯ এপ্রিল সায়মন নিজেই বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৪৫ জনকে আসামি করা হয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, দুটি মামলাই বর্তমানে উচ্চ গুরুত্বের সাথে তদন্তাধীন, এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহবাগ-পল্টন থানার দুই মামলায় আনিসুল হকসহ ৩ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় ০৫:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারীর রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. মিজবাহ উর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতে হাজির করার পর, শাহবাগ থানার একটি হত্যা মামলায় আনিসুল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় মোশাররফ হোসেন ও বাবুল সরদার চাখারীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন উপ-পরিদর্শক বিমান তরফদার। শুনানি শেষে আদালত আনিসুল হকের পাঁচদিন ও অপর দুইজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন  হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে মমতাজ

শাহবাগ থানার হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে অংশ নেন ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। আন্দোলনের একপর্যায়ে আসামিদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। নিহতের স্ত্রী ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে অংশ নেয় বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এই সমাবেশে অংশ নেন ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মন। অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ আসামিরা হামলা চালিয়ে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হন সায়মন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গত ২৯ এপ্রিল সায়মন নিজেই বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৪৫ জনকে আসামি করা হয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, দুটি মামলাই বর্তমানে উচ্চ গুরুত্বের সাথে তদন্তাধীন, এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।