ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

শাহবাগ-পল্টন থানার দুই মামলায় আনিসুল হকসহ ৩ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 350

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারীর রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. মিজবাহ উর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতে হাজির করার পর, শাহবাগ থানার একটি হত্যা মামলায় আনিসুল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় মোশাররফ হোসেন ও বাবুল সরদার চাখারীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন উপ-পরিদর্শক বিমান তরফদার। শুনানি শেষে আদালত আনিসুল হকের পাঁচদিন ও অপর দুইজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন  সাবেক প্রধান বিচারপতির সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শাহবাগ থানার হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে অংশ নেন ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। আন্দোলনের একপর্যায়ে আসামিদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। নিহতের স্ত্রী ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে অংশ নেয় বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এই সমাবেশে অংশ নেন ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মন। অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ আসামিরা হামলা চালিয়ে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হন সায়মন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গত ২৯ এপ্রিল সায়মন নিজেই বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৪৫ জনকে আসামি করা হয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, দুটি মামলাই বর্তমানে উচ্চ গুরুত্বের সাথে তদন্তাধীন, এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহবাগ-পল্টন থানার দুই মামলায় আনিসুল হকসহ ৩ জনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় ০৫:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারীর রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. মিজবাহ উর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতে হাজির করার পর, শাহবাগ থানার একটি হত্যা মামলায় আনিসুল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় মোশাররফ হোসেন ও বাবুল সরদার চাখারীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন উপ-পরিদর্শক বিমান তরফদার। শুনানি শেষে আদালত আনিসুল হকের পাঁচদিন ও অপর দুইজনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন  সাবেক প্রধান বিচারপতির সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শাহবাগ থানার হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে অংশ নেন ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। আন্দোলনের একপর্যায়ে আসামিদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। নিহতের স্ত্রী ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, পল্টন থানার হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে অংশ নেয় বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এই সমাবেশে অংশ নেন ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মন। অভিযোগে বলা হয়, সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ আসামিরা হামলা চালিয়ে গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হন সায়মন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গত ২৯ এপ্রিল সায়মন নিজেই বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৪৫ জনকে আসামি করা হয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, দুটি মামলাই বর্তমানে উচ্চ গুরুত্বের সাথে তদন্তাধীন, এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।