ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 30

ছবি: সংগৃহীত

 

বাগেরহাটের চিতলমারী ও মোল্লাহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী কচুড়িয়া এলাকায় একটি পানবরজের পাশ থেকে বস্তাবন্দি এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও পানবরজে আগুন দিয়েছেন। ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে মোল্লাহাট উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া গ্রাম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মুসলিমা খাতুন ওই গ্রামের ইসলাম শেখের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

আরও পড়ুন  রাবিতে তৃতীয় বর্ষের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী ইতি ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাতে কচুড়িয়া গ্রামের একটি পানবরজের পাশে বস্তার মধ্যে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

মরদেহ উদ্ধারের পর শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও তার পানবরজে আগুন দেন।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে কী কারণে এবং কারা হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় বাসিন্দারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও একটি পানবরজে আগুন দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাগেরহাটে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

বাগেরহাটের চিতলমারী ও মোল্লাহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী কচুড়িয়া এলাকায় একটি পানবরজের পাশ থেকে বস্তাবন্দি এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও পানবরজে আগুন দিয়েছেন। ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে মোল্লাহাট উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া গ্রাম থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মুসলিমা খাতুন ওই গ্রামের ইসলাম শেখের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

আরও পড়ুন  বন্যার পর নেপালে মরদেহের চাপ, মর্গে জায়গা না পেয়ে ড্রাই আইস ও শ্মশানের প্রস্তুতি

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাতে কচুড়িয়া গ্রামের একটি পানবরজের পাশে বস্তার মধ্যে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

মরদেহ উদ্ধারের পর শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও তার পানবরজে আগুন দেন।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে কী কারণে এবং কারা হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধারের পর স্থানীয় বাসিন্দারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এক ব্যক্তির বাড়ি ও একটি পানবরজে আগুন দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।