হল থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, একাডেমিতে হামলা-ভাঙচুর
- আপডেট সময় ১১:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
- / 36
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে একটি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হল থেকে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান (১৫)-এর মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
মঙ্গলবার, ১৭ জুন বিকেলে রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হল থেকে মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে রাত পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিষ্ঠানটির সামনে অবস্থান নেয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মেহেদীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাত ৮টার পর থেকে একাডেমির সামনে লোকজন জড়ো হতে থাকে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটক ও অভ্যর্থনা কক্ষে ভাঙচুর চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানান তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়েছে—এমন দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত লোকজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।

























