ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সরকারি সম্মানী কার্যক্রম শুরু আজ, কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পাবে কত টাকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / 98

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নির্ধারিত হারে সম্মানী দেওয়া হবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, এ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মূলত ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে এ সম্মানী প্রদান কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ বিলিয়ন ডলারে

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকদের জন্যও সম্মানী কার্যক্রম চালু করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্প অনুযায়ী প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেমের জন্য রাখা হয়েছে ২ হাজার টাকা।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি মন্দিরের জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এ অর্থ থেকে পুরোহিতকে ৫ হাজার টাকা এবং সেবায়েতকে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে। একইভাবে প্রতিটি বৌদ্ধবিহারের জন্যও ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অধ্যক্ষ পাবেন ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ পাবেন ৩ হাজার টাকা।

এছাড়া প্রতিটি গির্জার জন্যও মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পালক বা যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অতিরিক্ত বোনাস দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় বছরে দুইবার ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে যেসব মসজিদ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই সরকারি বা দেশি-বিদেশি কোনো সংস্থার অনুদান পেয়ে থাকে, সেগুলো এই সম্মানী সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সরকারি সম্মানী কার্যক্রম শুরু আজ, কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পাবে কত টাকা

আপডেট সময় ১১:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

 

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নির্ধারিত হারে সম্মানী দেওয়া হবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, এ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মূলত ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে এ সম্মানী প্রদান কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  জুলাই গণহত্যার বিচার দেশে হবে, আইসিসিতে যাবে না: চিফ প্রসিকিউটর

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকদের জন্যও সম্মানী কার্যক্রম চালু করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্প অনুযায়ী প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেমের জন্য রাখা হয়েছে ২ হাজার টাকা।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি মন্দিরের জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে। এ অর্থ থেকে পুরোহিতকে ৫ হাজার টাকা এবং সেবায়েতকে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে। একইভাবে প্রতিটি বৌদ্ধবিহারের জন্যও ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অধ্যক্ষ পাবেন ৫ হাজার এবং উপাধ্যক্ষ পাবেন ৩ হাজার টাকা।

এছাড়া প্রতিটি গির্জার জন্যও মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পালক বা যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অতিরিক্ত বোনাস দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মসজিদে কর্মরতদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় বছরে দুইবার ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তদের ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে যেসব মসজিদ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই সরকারি বা দেশি-বিদেশি কোনো সংস্থার অনুদান পেয়ে থাকে, সেগুলো এই সম্মানী সুবিধার আওতার বাইরে থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।