ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা, জানাল আবহাওয়া অফিস স্পেনের পথে ২৭ দিনের সমুদ্রযাত্রা, ৮৩ জনের প্রাণহানি স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বাতিল মালয়েশিয়ার ইরান যুদ্ধের শেষ জানেন না ভ্যান্স রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু

ফেনীতে বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন, খুলেছে ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / 775

ছবি সংগৃহীত

 

টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে আসা ঢলের পানিতে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় মোট ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার সরবরাহে সাড়ে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ভোলায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র

জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলায় ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এবং পরশুরাম উপজেলায় ৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সেই সঙ্গে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখায় একটি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দুটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে—০১৮১৮-৪৪৪৫০০ এবং ০১৩৩৬-৫৮৬৬৯৩।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় ৪০০ করে মোট ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রান্না করা খাবার সরবরাহেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহে মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ১০টি স্থানে ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। ফলে ফুলগাজী ও পরশুরামের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকের বসতঘর ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলসমূহ মাঠে কাজ করছে। সতর্কতার অংশ হিসেবে আশপাশের এলাকাগুলোর মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেনীতে বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত প্রশাসন, খুলেছে ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র

আপডেট সময় ১০:৪৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে আসা ঢলের পানিতে সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফেনীর ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় মোট ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার সরবরাহে সাড়ে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  ফেনীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামির পলায়ন, স্বজনদের হামলায় আহত ৩ পুলিশ সদস্য

জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, ফুলগাজী উপজেলায় ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এবং পরশুরাম উপজেলায় ৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সেই সঙ্গে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখায় একটি ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য দুটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে—০১৮১৮-৪৪৪৫০০ এবং ০১৩৩৬-৫৮৬৬৯৩।

জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলায় ৪০০ করে মোট ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রান্না করা খাবার সরবরাহেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহে মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অন্তত ১০টি স্থানে ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। ফলে ফুলগাজী ও পরশুরামের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকের বসতঘর ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক দলসমূহ মাঠে কাজ করছে। সতর্কতার অংশ হিসেবে আশপাশের এলাকাগুলোর মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।